শিরোনামঃ
সালথায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন এবং বিক্ষোভ  সালথায় দুই পক্ষের মোড়লের দ্বন্দ্বে জিম্মি সাধারণ মানুষ: হামলা-ভাঙচুর অব্যাহত রয়েছে  স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় ঋণের চাপে প্রবাসফেরত যুবকের আত্মহনন কাজ শেষ হওয়ার আগেই ধস গাজীপুরে বস্তাবন্দি পোশাক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক ঘোড়াঘাটে ৮ চোর ও ডাকাত গ্রেপ্তার নওগাঁয় ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল সালথায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন রাঙামাটিতে ছাত্রদলের কমিটি ঘিরে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ১৪৪ ধারা জারি টেকনাফে মাটির নিচে পুঁতে রাখা বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
দৈনিক দেশের প্রত্যয় প্রতিনিধি নিয়োগ নোটিশ :
দৈনিক দেশের প্রত্যয় নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে-জেলা,উপজেলা, ভ্রাম্যমাণ,ব্যুরো প্রধান,হেড অব মার্কেটিং সহ বিভিন্ন পদে প্রতিনিধি নিয়োগ দিবে দৈনিক দেশের প্রত্যয় মাল্টিমিডিয়া। আগ্রহীদের সিভি পাঠানোর ঠিকানা desherprottoy@gmail.com অথবা 01841972873 (শুধুমাত্র হোয়াটসঅ্যাপ)প্রিয় পাঠক,দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

মৃত্যুফাঁদ জাতীয় মহাসড়ক

অনলাইন ডেক্স / ৪৪ প্রকাশিত সময়:
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

জাতীয় মহাসড়কগুলো বর্তমানে সাধারণ মানুষের কাছে এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে ভয়াবহ সব সড়ক দুর্ঘটনা, অকালে ঝরছে শত শত প্রাণ। সড়ক নিরাপত্তা আইন ও সচেতনতার অভাব, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং বেপরোয়া গতির কারণে জাতীয় মহাসড়কগুলো যেন এখন পরিণত হয়েছে এক একটি ‘মৃত্যুর ফাঁদ’। গত পাঁচ বছরেই সড়কে ঝরেছে ৩৫ হাজার ১৭৪ জনের প্রাণ।পঙ্গুত্বসহ আহত হয়েছেন ৫৯ হাজার ৯৮৫ জন। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

 

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিভিন্ন সময়ের তুলনায় বর্তমানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল-এই পাঁচ বছরের ব্যবধানে জাতীয় মহাসড়কে দুর্ঘটনা বেড়েছে ৩৪ শতাংশ, আঞ্চলিক সড়কে প্রায় ৭২ শতাংশ।

আর সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়েছে ১৭ শতাংশ, আহত ১২০ শতাংশ। এসব মৃত্যুর কারণ যেসব দুর্ঘটনা সেগুলোর ৩৬ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে। আর ৩৭ শতাংশ ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে। এর মধ্যে বাস, ট্রাক এবং মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার সবচেয়ে বেশি।
হতাহতদের একটি বড় অংশই কর্মক্ষম তরুণ বা পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি, যা জাতীয় অর্থনীতিতেও দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জাতীয় মহাসড়কে বেপরোয়া গতি, ট্রাফিক আইন প্রয়োগের দুর্বলতা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানো, সিএনজি, অটোরিকশা, নছিমন, করিমন চলাচল  এবং অবকাঠামোগত ত্রুটিই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। দীর্ঘদিন ধরেই এসব সমস্যা চিহ্নিত হলেও কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়ে গেছে। তাদের মতে, এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, আইন প্রয়োগে জোরদার করা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই মৃত্যুর মিছিল থামাতে হবে।


More News Of This Category