জাতীয় মহাসড়কগুলো বর্তমানে সাধারণ মানুষের কাছে এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে ভয়াবহ সব সড়ক দুর্ঘটনা, অকালে ঝরছে শত শত প্রাণ। সড়ক নিরাপত্তা আইন ও সচেতনতার অভাব, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং বেপরোয়া গতির কারণে জাতীয় মহাসড়কগুলো যেন এখন পরিণত হয়েছে এক একটি ‘মৃত্যুর ফাঁদ’। গত পাঁচ বছরেই সড়কে ঝরেছে ৩৫ হাজার ১৭৪ জনের প্রাণ।পঙ্গুত্বসহ আহত হয়েছেন ৫৯ হাজার ৯৮৫ জন। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিভিন্ন সময়ের তুলনায় বর্তমানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল-এই পাঁচ বছরের ব্যবধানে জাতীয় মহাসড়কে দুর্ঘটনা বেড়েছে ৩৪ শতাংশ, আঞ্চলিক সড়কে প্রায় ৭২ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জাতীয় মহাসড়কে বেপরোয়া গতি, ট্রাফিক আইন প্রয়োগের দুর্বলতা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানো, সিএনজি, অটোরিকশা, নছিমন, করিমন চলাচল এবং অবকাঠামোগত ত্রুটিই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। দীর্ঘদিন ধরেই এসব সমস্যা চিহ্নিত হলেও কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়ে গেছে। তাদের মতে, এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, আইন প্রয়োগে জোরদার করা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই মৃত্যুর মিছিল থামাতে হবে।