শিরোনামঃ

মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা হয়েছে’

অনলাইন ডেক্স
মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা হয়েছে’
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধ ও ২৪-কে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, ২৪ হলো ৭১-এর এক্সটেনশন।’

শনিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজিত ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন ‘টিফিন’-এর স্বাধীনতা দিবস সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন ও ‘তরুণ প্রজন্মের চোখে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা’ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেছেন। আলোচনাসভাটি যৌথভাবে আয়োজন করে ‘টিফিন’ ও ‘ব্রেইন’।টিফিন ম্যাগাজিনটি এবারই প্রথম প্রকাশিত হলো।

 

সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি উপদেষ্টা এবং তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ-উর রহমান, বিএনপি চেয়ারম্যানের ফরেন অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য ড. সাইমুম পারভেজ, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বুলবুল আশরাফ সিদ্দিকী, চলচ্চিত্র নির্মাতা সৈয়দা নীলিমা দোলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আদনান আরিফ সালিম,
সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট সাইয়েদ আবদুল্লাহ, গণমাধ্যমকর্মী রাফসান গালিব প্রমুখ।

আলোচনায় ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে রাজনীতি হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো মুক্তিযুদ্ধকে তাদের মতো করে বর্ণনা করার চেষ্টা করতে পারে।

এটাকে মারাত্মক ক্রাইম আমি মনে করি না। কেউ যদি রাজনীতি না করেন, তার নিজস্ব একটা রাজনীতি থাকে।’তিনি বলেন, ‘কোনো হিস্ট্রি যখন আমরা লিখতে যাই, তখন কি আনবায়াস্ট কোনো হিস্ট্রি লিখতে পারি? বলা হয়ে থাকে ফ্যাক্ট অবজেক্টিভ, ট্রুথ সাবজেক্টিভ। কিন্তু সমস্যাটা যে জায়গায় হয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে একটা জায়গায় বেঁধে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা যেহেতু মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, এখন বিএনপি দল ক্ষমতায়, হতেও পারে তারা তাদের মতো করে একটা ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করতে পারে।’তিনি আরো বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ হলো সরকার ইতিহাস চর্চাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে কি না। আমি মনে করি, সরকার সেই পথে যাবে না, একটা মুক্ত ইতিহাস চর্চার পরিবেশ থাকবে। সরকার সেটা করতে দেবে বলে মনে করি। ফ্যাক্ট হলো, ৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধ ও ২৪-কে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, ২৪ হলো ৭১-এর এক্সটেনশন।’ 

সভায় ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘জুলাই আমাদের গর্বের একটা জায়গা। উপস্থিত এখানে অনেকেই আছেন, যারা কোনো না কোনো ফর্মে ওই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু জুলাইকে মুক্তিযুদ্ধের মতো করে উপস্থাপন করার চেষ্টা হয়েছে। যা সফল হয়নি। এটা যতবার চেষ্টা করা হবে, ততবারই তারা ব্যর্থ হবে। আমরা মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করি। আমরা মনে করি, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জীবনের বড় একটা পার্ট।’

সৈয়দা নীলিমা দোলা বলেন, ‘বিগত সময়ে মুক্তিযুদ্ধ একটি দলের হয়ে গিয়েছিল। তারা মনে করত এটা শুধু তাদের দলের।’

ড. মো. আদনান আরিফ বলেন, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধে যার যা অবদান তাকে তা দিয়ে দিতে হবে। ইতিহাসে যার যা অবদান তার মাধ্যমেই মূল্যায়ন করার চর্চা করতে হবে।’

ড. বুলবুল আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে আছে। দেশের একটা অংশ মুক্তিযুদ্ধ বিমুখ। এ ক্ষেত্রে স্বাধীনতার ইতিহাস চর্চাকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

সূত্র কালের কণ্ঠ

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।