প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধ ও ২৪-কে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, ২৪ হলো ৭১-এর এক্সটেনশন।’
শনিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজিত ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন ‘টিফিন’-এর স্বাধীনতা দিবস সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন ও ‘তরুণ প্রজন্মের চোখে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা’ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেছেন। আলোচনাসভাটি যৌথভাবে আয়োজন করে ‘টিফিন’ ও ‘ব্রেইন’।টিফিন ম্যাগাজিনটি এবারই প্রথম প্রকাশিত হলো।
সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি উপদেষ্টা এবং তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ-উর রহমান, বিএনপি চেয়ারম্যানের ফরেন অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য ড. সাইমুম পারভেজ, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বুলবুল আশরাফ সিদ্দিকী, চলচ্চিত্র নির্মাতা সৈয়দা নীলিমা দোলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আদনান আরিফ সালিম,
সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট সাইয়েদ আবদুল্লাহ, গণমাধ্যমকর্মী রাফসান গালিব প্রমুখ।
আলোচনায় ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে রাজনীতি হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো মুক্তিযুদ্ধকে তাদের মতো করে বর্ণনা করার চেষ্টা করতে পারে।
সভায় ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘জুলাই আমাদের গর্বের একটা জায়গা। উপস্থিত এখানে অনেকেই আছেন, যারা কোনো না কোনো ফর্মে ওই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু জুলাইকে মুক্তিযুদ্ধের মতো করে উপস্থাপন করার চেষ্টা হয়েছে। যা সফল হয়নি। এটা যতবার চেষ্টা করা হবে, ততবারই তারা ব্যর্থ হবে। আমরা মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করি। আমরা মনে করি, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জীবনের বড় একটা পার্ট।’
সৈয়দা নীলিমা দোলা বলেন, ‘বিগত সময়ে মুক্তিযুদ্ধ একটি দলের হয়ে গিয়েছিল। তারা মনে করত এটা শুধু তাদের দলের।’
ড. মো. আদনান আরিফ বলেন, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধে যার যা অবদান তাকে তা দিয়ে দিতে হবে। ইতিহাসে যার যা অবদান তার মাধ্যমেই মূল্যায়ন করার চর্চা করতে হবে।’
ড. বুলবুল আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে আছে। দেশের একটা অংশ মুক্তিযুদ্ধ বিমুখ। এ ক্ষেত্রে স্বাধীনতার ইতিহাস চর্চাকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।’
সূত্র কালের কণ্ঠ