সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকালে আসামির পরনের শার্টের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিনয় দাস ও সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আটকের সময় সিদ্ধার্থের গায়ে শুধু একটি কালো ঘিয়া রঙের গেঞ্জি ছিল। ওই নকশার কোনো শার্ট সিদ্ধার্থের কখনোই ছিল না।
বিনয় দাস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘শনিবার রাতে গণপতির বাড়িতে পুলিশসহ অনেক লোক জড়ো হন। এরপর ভোররাতে পুলিশ আমার বাড়িতে এসে সিদ্ধার্থের খোঁজ করে। আমি ওকে চাচার বাড়ি থেকে ঘুম থেকে ডেকে এনে পুলিশের হাতে তুলে দিই। তখন তার গায়ে একটি গেঞ্জি ছিল।
পরে পুলিশ তখন
তাকে সাংবাদিকদের সামনে আনলো তখন দেখেছি গায়ে শার্ট। ওই শার্ট কার? ওই ধরনের শার্ট কখনোই তাকে পরতে দেখি নাই।’
সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস বলেন, ‘রোববার ভোরে পুলিশ যখন আমার ভাইকে আটক করেছিল, তখন তার গায়ে একটি ঘিয়া রঙের গেঞ্জি ছিল। ওই ধরনের কোনও শার্ট আমার ভাইয়ের কখনোই ছিল না।আমার ভাই কীভাবে ওই শার্টটি পরলো, তা আমরা জানি না। এ বিষয়ে পুলিশই ভালো বলতে পারবে।’
রবিবার রাত থেকেই সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে—আটকদের একজনের গায়ের জামা একজন পুলিশ কর্মকর্তার গায়ের জামা হুবহু একই হওয়ার ঘটনা। ওই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন রংপুরের ডিবি সনাতন চক্রবর্তী।
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেছেন, ‘এটি কাকতালীয়। ওই জামা রংপুরে আমিসহ আরো দুই শ জনের আছে। একই ধরনের শার্ট আরো অনেকেরই থাকতে পারে। এটিকে সামনে এনে ঘটনা ভিন্নভাবে প্রচারের চেষ্টা চলছে।’
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা যখন ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন তখন তিনি ওই জামাটিই পরিহিত ছিলেন। তখন স্থানীয় কিছু নিউজ পোর্টাল যে লাইভ করছিল তাতেও সনাতন চক্রবর্তীর গায়ে ওই শার্ট দেখা গেছে। পরে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে যখন বাইরে আনা হয় তখন সিদ্ধার্থ দাসের গায়েও ওই একই ধরনের শার্ট দেখা গেছে।
সনাতন চক্রবর্তী বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ‘আমরা যখন তাদের আটক করে আমাদের অফিসে এনে বসাই তখনও সিদ্ধার্থ দাসের গায়ে ওই শার্টটিই ছিল।’
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
















আপনার মতামত লিখুন :