জন্মের পর থেকে ১৫ মাস পর্যন্ত বয়সী শিশুর ১২টি রোগ প্রতিরোধে দেওয়া হয় ৯ ধরনের টিকা। এসব টিকার মধ্যে হাম-রুবেলা, পোলিও, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া-ধনুষ্টার, হেপাটাইসিস-বি এর মজুদ শেষ হয়েছে। যদিও অধিদপ্তর বলছে, মাঠ পর্যায়ে এসব টিকা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপারেশনার প্ল্যান (ওপি) বাতিল হলে টিকা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।ফলে টিকাদান হার কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় টিকাবঞ্চিত হয় অনেক শিশু। পরে সব ধরনের টিকার জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয় হাজার কোটি টাকা।
এর মধ্যে শুধু শিশুদের টিকায় রাখা হয় ৮৪২ কোটি টাকা। সরাসরি কেনার পাশাপাশি টেন্ডারেও টিকা কেনার সিদ্ধান্ত হয়।তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই প্রক্রিয়া শেষ করা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কেটে যায় দীর্ঘ সময়।
তিনি বলেন, ‘বিকল্প কিছু হাতে না রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সেটা আবার পরিবর্তন করার ফল আমরা ভোগ করছি। এখন পরিকল্পনা চলছে আবারও সরাসরি ক্রয় করতে পারি কি না। যদি হয় বাকি অর্ধেক টাকা আমরা সরাসরি ক্রয়ে ব্যয় করতে পারব। এই ভ্যাকসিন মজুদ থাকবে।যেখানে সংকট আছে সেখানে পাঠানো সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, সারা দেশেই শুরু হয়েছে হামের প্রকোপ। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সঙ্গে যোগ হচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যাও।