রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার সন্তান, উদীয়মান সাংবাদিক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন পেশাগত জীবনে সততা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। লেখনী ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের মাধ্যমে এলাকার মুখ উজ্জ্বল করা এই সাংবাদিকের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছেন তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষী, গুণগ্রাহী ও বাগমারার সাধারণ মানুষ।
সামাজিক দায়িত্ববোধ ও ন্যায়ের পক্ষে সত্য প্রকাশের অঙ্গীকার নিয়ে সাংবাদিকতায় যুক্ত হন আলমগীর হোসেন। খুব অল্প সময়েই কঠোর পরিশ্রম ও সাহসিকতার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের একটি আলাদা পরিচয় তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। বাগমারার প্রতিটি উন্নয়ন, সংকট ও সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে তাঁর অবদান প্রশংসিত।
কর্মব্যস্ততার ফাঁকে সুযোগ পেলেই গ্রামের মাটিতে ফিরে আসেন আলমগীর। আর শিকড়ে ফিরলেই জমে ওঠে শৈশব-কৈশোরের বন্ধুদের সাথে আড্ডা। আড্ডার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে তাঁদের প্রিয় জন্মভূমি ‘বাগমারা’।
বন্ধুদের সাথে চায়ের কাপে আড্ডার প্রধান অনুষঙ্গ হিসেবে উঠে আসে বাগমারার অতীত স্মৃতি, বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সামাজিক উন্নয়নের রূপরেখা। কিভাবে বাগমারার তরুণেরা শিক্ষা, খেলাধুলা ও সামাজিক সচেতনতায় আরও এগিয়ে যেতে পারে—এসব বিষয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয় তাঁদের আড্ডায়। বন্ধুরা জানান, পেশাগত ক্ষেত্রে আলমগীর যতই ব্যস্ত থাকুক না কেন, বন্ধুদের সাথে সেই পুরোনো আন্তরিকতা ও বন্ধুত্বের টানে সবসময় সাড়া দেন তিনি।
আলমগীর হোসেনের বন্ধু মহল ও স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিত্বরা আশা প্রকাশ করেন, আলমগীর হোসেন তাঁর বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভীক সাংবাদিকতার মাধ্যমে দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন। তিনি কেবল বাগমারা নয়, দেশের সাংবাদিকতা জগতে এক অনন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।




















আপনার মতামত লিখুন :