শিরোনামঃ

ডাক অধিদপ্তরের সব অফিস ধূমপানমুক্ত ঘোষণা


ডাক অধিদপ্তরের সব অফিস ধূমপানমুক্ত ঘোষণা
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

 

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষায় ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সব কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে সম্পূর্ণ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

 

বুধবার (২৯ জুলাই) ডাক অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘টেকসই তামাক নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগ : ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সব কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম।

 

 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬) অনুযায়ী পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ আইন বাস্তবায়ন ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সব কার্যালয় ও পোস্ট অফিসে ধূমপান এবং যেকোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি।

 

 

 

 

 

সভায় জানানো হয়, গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস), ২০১৭-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৩ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ বিভিন্ন জনসমাগমস্থল, গণপরিবহন ও রেস্টুরেন্টে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। টোব্যাকো অ্যাটলাস ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী, তামাক ব্যবহারজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।

 

বক্তারা বলেন, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু ব্যক্তির স্বাস্থ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি পরিবার, কর্মক্ষেত্র, পরিবেশ ও সামগ্রিক উন্নয়নেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই তামাক নিয়ন্ত্রণকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

 

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে ডাক অধিদপ্তরের এ উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বেসরকারি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

 

সভাপতির বক্তব্যে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম বলেন, ডাক অধিদপ্তরকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত প্রতিষ্ঠান ঘোষণা শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি সুস্থ, নিরাপদ ও জনবান্ধব কর্মপরিবেশ তৈরির অঙ্গীকার।

 

 

 

তিনি বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে সারা দেশে ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রায় ১০ হাজার ডাকঘরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রতিদিন সেবা নিতে আসা লাখো মানুষ তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা পাবেন।

 

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আক্তার ডলি, তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরামের আহ্বায়ক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব শিবানী ভট্টাচার্য, তামাকবিরোধী ইয়ুথ ফোরামের প্রতিনিধি এবং ডাক

অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

 

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।