মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপুলসংখ্যক খালি তেলবাহী ট্যাংকার যুক্তরাষ্ট্রের দিকে রওনা হয়েছে।
আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মার্কিন ও ইরানি আলোচকরা পাকিস্তানে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বলেন, “বিশ্বের যেকোনো জায়গার তুলনায় সবচেয়ে বড় কিন্তু সম্পূর্ণ খালি বিপুলসংখ্যক তেলবাহী ট্যাংকার এখনই যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আসছে। যাতে তারা বিশ্বের সর্বোত্তম এবং সবচেয়ে ‘মিষ্টি’ তেল (এবং গ্যাস!) লোড করতে পারে।
আরেক আলোচনায় তিনি প্রশাসনের শেষ সময়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণক্ষমা ঘোষণা করা যায় কি না, তা নিয়েও ভাবনার কথা বলেন।
তবে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট দাবি করেছেন, এই মন্তব্যগুলো মূলত রসিকতা হিসেবে করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের ক্ষমার ক্ষমতা নিরঙ্কুশ হলেও এসব বক্তব্যকে সিরিয়াসভাবে নেওয়ার প্রয়োজন নেই।’
মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে ক্ষমা ও দণ্ড মওকুফ করার অধিকার রাখেন।এই ক্ষমতা ব্যবহার করে তিনি সহযোগীদের আগাম আইনি সুরক্ষা দিতে পারেন, যদিও তা নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক রয়েছে।
২০২৪ সালের সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ের ফলে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে আইনি দায়মুক্তি পান। তবে এই সুরক্ষা তার সহযোগীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, ফলে তাদের রক্ষায় ক্ষমা ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।