জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরের মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কেউ মাছ শিকার করলে পেতে হবে শাস্তি। তবে নিষিদ্ধ চলাকালীন জেলেদের দেওয়া হবে খাদ্য সহায়তা।
আগামী রবিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে ৩০ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত টানা দুই মাস মেঘনা নদীর রামগতি উপজেলার চর আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকা পর্যন্ত ইলিশ মাছ শিকার, পরিবহন ও ক্রয় বিক্রয় বন্ধ থাকবে।
অর্থাৎ ১০০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ। এ আইন অমান্যকারীদের জন্য রয়েছে জরিমানা, দুই বছরের জেল এবং উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান।
উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে জেলেদের নিয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সভা ও সেমিনার করা হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলের বরফকল ও কারখানা বন্ধসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা দিয়ে মাইকিং করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে জেলেদের ৪০ কেজি করে খাদ্য সহায়তা দেবে সরকার। এ দুই মাস রামগতি ও কমলনগর উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
রামগতি উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. সৌরভ উজ জামান ও কমলনগর মৎস্য কর্মকর্তা তুর্য সাহা বলেন, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে প্রতিটি জেলেদের মাঝে সরকার নির্ধারিত ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হবে এবং মা-ইলিশ ও জাটকা রক্ষার অভিযান কঠোর থাকবে। অসাধু জেলেরা যাতে কোনোভাবেই নদীতে নামতে না পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।