সিলেট সফরে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির এলাকার লোকদের সঙ্গে হাস্যরস করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে তো দুলাভাই চলে যাবে। যাব আমি? কথা বলব না যাব? কথা বলতে হলে চুপ করতে হবে। আমি কথা বললে শ্বশুরবাড়ির লোকদের শুনতে হবে, ঠিক আছে?’
শনিবার (২ মে) দুপুর ১২টার দিকে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে বাসিয়া নদী পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে এক দিনের সরকারি সফরে সিলেটে এসে বৃষ্টির মধ্যে ওসমানী বিমানবন্দরে নেমে স্ত্রীকে নিয়ে তিনি হযরত শাহজালালের (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সেখান থেকে আরো কিছু উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে সুধী সমাবেশে যোগ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা দুলাভাইয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতসহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১২ জানুয়ারি মানুষ ভোট দিয়ে এমন একটি সরকার নির্বাচিত করেছে, যারা জনগণের জন্য কাজ করবে। আমাদের একমাত্র জবাবদিহি এ দেশের জনগণের কাছে।সে জন্য আমরা সেসব কাজ ও কর্মসূচি পালন করতে চাই, যেগুলোতে মানুষের কল্যাণ ও উপকার হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আপনাদের মনে আছে কি না, আমি কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলেছিলাম? সেই ফ্যামিলি কার্ডের কাজও শুরু করেছি। এখন অনেকে বলতে পারেন আমাদের এলাকায় তো (সিলেটের লোকজন) পায়নি। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের এলাকায় যারা যারা পাওয়ার যোগ্য, সবাই পাবে।
আমরা চেষ্টা করব আগামী ৫ বছরের মধ্যে সারা দেশের মা-বোনদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি ভাতা ও খাল খননের কাজও শুরু করেছি।’
শিল্পমন্ত্রীকে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে বসেছিলাম; বলেছিলাম বন্ধ কলকারখানার তালিকা করতে এবং কেন বন্ধ হয়েছে তার কারণ খুঁজে বের করতে। আমরা ধীরে ধীরে সব কারখানা চালু করব, যাতে বেকারদের কর্মসংস্থান হয়।’