ব্রিকস সম্মেলন প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজের অস্ত্রায়নের বিরুদ্ধে মোদির বার্তা

অনলাইন ড্রেস
ব্রিকস সম্মেলন প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজের অস্ত্রায়নের বিরুদ্ধে মোদির বার্তা
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

 

প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজকে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহারের ঝুঁকি সম্পর্কে ব্রিকস নেতাদের সতর্ক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ বিশ্বে যৌথ অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে এতদিনের অর্জনগুলোকে নষ্ট করে দিতে পারে।

 

কারণ বর্তমান আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বে কোনো সংকটই আর একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।

রবিবার নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ বিভিন্ন দেশের নেতাদের উপস্থিতিতে বক্তব্য দেন মোদি। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কোনো দেশকেই প্রভাবমুক্ত রাখছে না।

 

মোদি বলেন, মহামারি, জলবায়ুজনিত দুর্যোগ ও সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন দেখিয়েছে যে বর্তমান পরস্পরনির্ভর বিশ্বে কোনো সংকটই শুধু একটি অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকে না।

 

তাই সংকট মোকাবিলায় ব্রিকসের সক্ষমতা ও স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, সংক্রামক রোগের বিস্তার ঠেকানো ও তা মোকাবিলায় ব্রিকসের সমন্বিত আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ঐকমত্য হয়েছে। এ বিষয়ে আগাম সতর্কতা ও তথ্য সমন্বয়ের নির্দেশিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে।

 

ভারতের সভাপতিত্বে ব্রিকসের কার্যক্রমে স্থিতিস্থাপকতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়ন—এই চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মোদি।

 

 

বিশ্ব নেতাদের সহযোগিতায় অভিন্ন লক্ষ্যকে ‘উভয়ের জন্য লাভজনক’ বাস্তবতায় রূপ দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে নেতারা যৌথ ছবি তোলেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি বলছে, অনুষ্ঠানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

আগের দিন প্রকাশিত নয়াদিল্লি ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে সর্বোচ্চ সংযমের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের স্থায়ী দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে ব্রিকস।

 

 

গাজায় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের আইনগত বাধ্যবাধকতার কথাও উল্লেখ করা হয়।

নয়াদিল্লি ঘোষণায় একতরফা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দ্রুত প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি বাড়তে থাকা সুরক্ষাবাদী নীতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, নির্বিচারে শুল্ক বৃদ্ধি ও পরিবেশবান্ধব বাণিজ্য বাধার নামে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং উদীয়মান অর্থনীতিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।