বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
দৈনিক দেশের প্রত্যয় প্রতিনিধি নিয়োগ নোটিশ :
দৈনিক দেশের প্রত্যয় নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে-জেলা,উপজেলা, ভ্রাম্যমাণ,ব্যুরো প্রধান,হেড অব মার্কেটিং সহ বিভিন্ন পদে প্রতিনিধি নিয়োগ দিবে দৈনিক দেশের প্রত্যয় মাল্টিমিডিয়া। আগ্রহীদের সিভি পাঠানোর ঠিকানা desherprottoy@gmail.com অথবা 01841972873 (শুধুমাত্র হোয়াটসঅ্যাপ)প্রিয় পাঠক,দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

এক রাতের মধ্যে ছবি নামানোর ঘটনা ছিল আমাকে অপসারণের ইঙ্গিত

অনলাইন ডেস্ক / ৭৯ প্রকাশিত সময়:
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি হাই কমিশন কার্যালয় থেকে এক রাতের মধ্যে রাষ্ট্রপতির ছবি নামিয়ে মূলত তাঁকে অপসারণের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে কালের কণ্ঠকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

একটি দেশে হাই কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি দেখে একজন উপদেষ্টার উত্তেজিত হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ওই রাতেই পৃথিবীর সমস্ত দেশে বাংলাদেশের হাই কমিশন ও কনস্যুলেট থেকে আমার ছবি নামিয়ে ফেলা হয়। ওই ঘটনা ছিল মূলত আমাকে অপসারণের ইঙ্গিত বা প্রথম ধাপ।


রাষ্ট্রপতির ভাষায়, একদিন হঠাৎ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টা বিদেশ সফরে গিয়ে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ হাইকমিশনে রাষ্ট্রপতির ছবি ঝুলতে দেখে সেখানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান। রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের কনস্যুলেট ও হাইকমিশনগুলোতে রাষ্ট্রপতির ছবি রাখা একটি দীর্ঘদিনের রেওয়াজ, কারণ রাষ্ট্রপতিই রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। বছরের পর বছর ধরে চলে আসা এই রীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ওই উপদেষ্টা সেখানে কনস্যুলেট প্রধানকে ভর্ৎসনা করেন, কেন রাষ্ট্রপতির ছবি এভাবে ঝুলছে।

রাষ্ট্রপতির মতে, ওই ঘটনার পর মাত্র এক রাতের মধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের প্রায় সব হাইকমিশন ও কনস্যুলেট থেকে তাঁর ছবি নামিয়ে ফেলা হয়।

দীর্ঘদিনের একটি রাষ্ট্রীয় রেওয়াজ এভাবে রাতারাতি বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর তিনি জানতে পারেন।
রাষ্ট্রপতির ভাষায়, তখন তাঁর মনে হয়েছিল, এটি হয়তো তাঁকে অপসারণের প্রথম ধাপ। পরবর্তী ধাপে হয়তো তাঁকে জোর করে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও হতে পারে-এই আশঙ্কা থেকেই তাঁকে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হয়েছে।

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে জনগণের মধ্যেও একটি নেতিবাচক বার্তা দেওয়া হয়েছে, যেন রাষ্ট্রপতিকে আর রাখা হচ্ছে না। এসব অপমানজনক পরিস্থিতি সত্ত্বেও তিনি কেবল সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থে দৃঢ় অবস্থানে ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি অবশ্য ওই উপদেষ্টার নাম প্রকাশ করতে চাননি। ওই ঘটনার পর তিনি ক্ষোভ ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেন। তাঁর ভাষায়, ওই চিঠিতে তিনি নিজের ক্ষোভ ও আপত্তির কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

চিঠি পাওয়ার পর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে আর কোনো বক্তব্য দেননি। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলেও তিনি বলেন, এটি একটি বড় বিষয় হলেও তিনি এ নিয়ে আর কথা বলতে চান না। এরপর তিনি নীরব থাকেন।

সূত্র কালের কণ্ঠ


More News Of This Category