মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী


মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

 

মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

প্রি-কেস মেডিয়েশন বা ‘মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম’ নতুন মামলা করার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ‘আশাব্যঞ্জক ফল’ দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘এই কার্যক্রম কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দীর্ঘদিনের মামলাজট নিরসনে বড় অগ্রগতি হবে।

 

 

আজ মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষ থেকে দেশের ১০ জেলায় ‘মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম’ উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম।

 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন, যা বিচারব্যবস্থার ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। এ বাস্তবতায় আদালতে মামলা করার আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলে বিচারপ্রার্থীর সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমবে এবং আদালতের ওপর চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

 

 

উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, পটুয়াখালী, ভোলা, নাটোর, যশোর, শরীয়তপুর, কক্সবাজার, পঞ্চগড় ও টাঙ্গাইলে নতুন করে এই কার্যক্রম চালু হলো। আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) আইন, ২০২৬ -এর ২১খ ধারা অনুসারে এখন থেকে এই জেলাগুলোতে নির্দিষ্ট ৭টি আইনের আওতায় আদালতে মামলা করার আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে হবে।

 

একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় ২০টি জেলায় প্রি-কেস মেডিয়েশন চালুর পর বিভিন্ন আইনে মামলা দায়েরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘গত বছরের ফেব্রুয়ারি-মে মাসের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে গড়ে ৬২.০২ শতাংশ মামলা দায়ের হ্রাস পেয়েছে।

 

 

’ আদালতে মামলা দায়েরের প্রবাহ এভাবে কমানো গেলে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দ্রুত কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আদালত, জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে আগামী এক বছরের মধ্যে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে।’

এই কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারীদের দায়িত্বকে কেবল চাকরি হিসেবে না দেখে জনসেবামূলক চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানান আইনমন্ত্রী। পাশাপাশি মধ্যস্থতা কার্যক্রমে যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’ বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন।

 

বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মনজুর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইন সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা।

 

 

এছাড়া ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন যশোরের জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদা খাতুন, কক্সবাজারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেহ মোহাম্মদ নোমানসহ বিভিন্ন জেলার লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা ও জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা।

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।