আবাসন বৃত্তি চালু, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত সম্পন্ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বৃদ্ধি—এই তিন দফা দাবিতে গত বছরের ১৪ মে ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করেছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের এক বছর পার হলেও দাবিগুলোর দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই নানা ক্ষেত্রে বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে বারবার রাজপথে নামতে হলেও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি মৌলিক দাবিগুলো।
জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, ‘ঐতিহাসিক ‘লং মার্চ টু যমুনা’ আন্দোলনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো হয়নি। আমরা বিশ্বাস করি, বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন স্যারের আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে খুব দ্রুতই দাবিগুলো বাস্তবায়িত হবে।
জবিয়ানদের অধিকার কোনো দয়া নয়, এটি তাদের ন্যায্য প্রাপ্য। অতএব, জবিয়ানদের ন্যায্য দাবি আদায় হতেই হবে। সেই প্রাপ্য আদায়ে প্রয়োজনে আবারো রাজপথে নামতে আমরা প্রস্তুত। অতীতের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সবসময় শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ।জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি একেএম রাকিব বলেন, বিগত প্রশাসন আমাদের আন্দোলনের দাবিগুলো নিয়ে প্রতারণা করেছে। বারবার আশ্বাস দিয়েও তারা দাবি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। নতুন প্রশাসন মাত্র দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। প্রয়োজনে আবারো শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
তবে আমরা আশাবাদী, নতুন প্রশাসন দ্রুত দাবিগুলো বাস্তবায়ন করবে।