|
Getting your Trinity Audio player ready...
|

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দূরপাল্লার যানবাহন রিকুইজিশনের কারণে সারা দেশে যাত্রী পরিবহনে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।
সংগঠনটির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম জানিয়েছেন, নির্বাচন উপলক্ষে ইতিমধ্যে প্রায় ১০ হাজার দূরপাল্লার যানবাহন রিকুইজিশন করেছে ট্রাফিক পুলিশ, যা সাধারণ যাত্রী চলাচলে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে তিন দিন এবং পরে দুই দিন—মোট পাঁচ দিনের সরকারি ছুটির ফলে স্বাভাবিকভাবেই আন্তজেলা রুটে যাত্রী চাপ বাড়বে—এমন পরিস্থিতিতে দূরপাল্লার বাস রিকুইজিশন করা হলে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হবে।’
তিনি অভিযোগ করেন, রিকুইজিশনকৃত গাড়ির ভাড়া, স্টাফদের বেতন এবং জ্বালানি খরচ সম্পর্কে এখনো কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়নি নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও খরচ বহনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সাইফুল আলম আরো বলেন, দেশের অধিকাংশ পরিবহন ব্যাংক বা লিজিং কম্পানির ঋণে কেনা। প্রতিদিন তেল, চালক-সহকারীর বেতন ও অন্যান্য খরচ মেটাতে হয়। এসব ব্যয়ের নিশ্চয়তা না থাকলে রিকুইজিশনকৃত গাড়িগুলো নির্ধারিত সময়ে দায়িত্ব পালন করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
তিনি পরামর্শ দেন, আন্তজেলা দূরপাল্লার বাসের পরিবর্তে স্থানীয় রুটে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাস রিকুইজিশন করা হলে যাত্রী ভোগান্তি কিছুটা কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে রিকুইজিশন করা দূরপাল্লার গাড়িগুলো দ্রুত উন্মুক্ত করার দাবি জানান তিনি।
সংগঠনটির ধারণা, নির্বাচনের সময় যাত্রী চাপ ঈদের সময়ের মতো হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দূরপাল্লার গাড়ি সংকট দেখা দিলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছাবে।
পরিবহন মালিকদের পক্ষ থেকে দ্রুত আর্থিক কাঠামো ও অর্থপ্রদানের উৎস স্পষ্ট করে ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে, যাতে মালিক ও শ্রমিক উভয়পক্ষই অনিশ্চয়তা থেকে মুক্ত হতে পারেন।
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।


















আপনার মতামত লিখুন :