শিরোনামঃ
দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার সাজ্জাদ হোসেনের ওপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে প্রেসক্লাবে জনতার বিস্ফোরণ মোহনপুরে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ ঝালকাঠিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত বাংলাদেশকে বন্ধুহীন করতে অতীতের মতো ষড়যন্ত্র চলছে : প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মোহনপুরে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে প্রেসক্লাব সম্পাদকের ওপর হামলার অভিযোগ  দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করেছে : আইনমন্ত্রী নয়াপল্টনে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে বিজিবি মোতায়ে নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ শুরু, নেতাকর্মীদের ঢল
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
দৈনিক দেশের প্রত্যয় প্রতিনিধি নিয়োগ নোটিশ :
দৈনিক দেশের প্রত্যয় নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে-জেলা,উপজেলা, ভ্রাম্যমাণ,ব্যুরো প্রধান,হেড অব মার্কেটিং সহ বিভিন্ন পদে প্রতিনিধি নিয়োগ দিবে দৈনিক দেশের প্রত্যয় মাল্টিমিডিয়া। আগ্রহীদের সিভি পাঠানোর ঠিকানা desherprottoy@gmail.com অথবা 01841972873 (শুধুমাত্র হোয়াটসঅ্যাপ)প্রিয় পাঠক,দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

রামেক হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নার্স-পুলিশ হাতাহাতি

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৫৩ প্রকাশিত সময়:
বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এক সিনিয়র স্টাফ নার্স ও এক পুলিশ কনস্টেবলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

গতকালবসোমবার (২৮ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের অর্থোসার্জারি ইউনিট-২ -এর ডেন্টাল বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, নগরির শাহমখদুম থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম তাঁর মা নূরেসা বেগমকে দাঁতের সমস্যা জনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলেন আমিনুল ইসলাম। যদিও অভিযুক্ত ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোগীর মৃত্যুর পর চিকিৎসা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কনস্টেবল আমিনুল ও ব্রাদার রাকিবের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে অন্যান্য নার্স ও স্টাফরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং আমিনুল ইসলামকে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে হাসপাতালের পুলিশ বক্স থেকে সদস্যরা এসে তাকে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও হাসপাতাল পরিচালকের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। মধ্যরাতে তিনি মায়ের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।

 

ঘটনার বিষয়ে কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম বলেন, মায়ের চোয়াল বসে গিয়ে মুখ বেঁকে যাওয়ার পর তিনি জরুরি বিভাগে নেন। সেখান থেকে অপারেশন থিয়েটার হয়ে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। তিনি দাবি করেন, দায়িত্বরত কেউই প্রাথমিক সহায়তা দিতে রাজি হননি, যা নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ বলেন, রোগীকে আনার সময়ই তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল এবং তিনি কোনো সাড়া পাচ্ছিলেন না। বিষয়টি জানানোর পরই কনস্টেবল আমিনুল তার ওপর শারীরিকভাবে হামলা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে আরও জানা যায়, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মামলা করার কথা বিবেচনা করলেও পরে সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। তবে এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাকিব আহম্মেদ নগর পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

শাহমখদুম থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। যেহেতু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পুলিশ সদস্য, তাই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


More News Of This Category