শিরোনামঃ
৩ বিভাগে ভারি বর্ষণের শঙ্কা রাষ্ট্র গঠনে শ্রমিকদের ভূমিকা অপরিসীম: এমপি মিলন দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার সাজ্জাদ হোসেনের ওপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে প্রেসক্লাবে জনতার বিস্ফোরণ মোহনপুরে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ ঝালকাঠিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত বাংলাদেশকে বন্ধুহীন করতে অতীতের মতো ষড়যন্ত্র চলছে : প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকের খাতায় নিজের নাম লেখাতে চান তারেক রহমান মোহনপুরে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে প্রেসক্লাব সম্পাদকের ওপর হামলার অভিযোগ  দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করেছে : আইনমন্ত্রী
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
দৈনিক দেশের প্রত্যয় প্রতিনিধি নিয়োগ নোটিশ :
দৈনিক দেশের প্রত্যয় নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশে-জেলা,উপজেলা, ভ্রাম্যমাণ,ব্যুরো প্রধান,হেড অব মার্কেটিং সহ বিভিন্ন পদে প্রতিনিধি নিয়োগ দিবে দৈনিক দেশের প্রত্যয় মাল্টিমিডিয়া। আগ্রহীদের সিভি পাঠানোর ঠিকানা desherprottoy@gmail.com অথবা 01841972873 (শুধুমাত্র হোয়াটসঅ্যাপ)প্রিয় পাঠক,দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষকে জোর করে পদচ্যুত

অনলাইন ডেক্স / ৫২ প্রকাশিত সময়:
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

২০২৩ সালে ঢাকার ধামরাই উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয় সূয়াপুর নান্নার স্কুল অ্যান্ড কলেজ। একই বছর উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান নির্বাচিত হন ওই কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম তালুকদার। অথচ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরই এই অধ্যক্ষকেই জোর করে পদত্যাগ করানো হয়।

অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘২০২১ সালের ১৮ আগস্ট আমার যোগদানের মাত্র তিন বছরের মধ্যে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পায়।এ জন্য আমাকে বেশকিছু পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। ক্লাসরুমে কড়াকড়ির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে নিরুৎসাহ করেছি। নিম্নমানের পাঠ্যবই বাদ দিয়েছি। বিভিন্ন দিবস ও অনুষ্ঠানের নামে অযাচিত বিল ও সম্মানি নেওয়া বাদ দিয়েছি।

এতে কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক আমার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন। সরকার পতনের পর কয়েকজন শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে ছাত্রদের উসকে দেয়। এর মধ্যে ছিলেন সিনিয়র শিক্ষক সাজ্জাদ হোসাইন, সাইফুল ইসলাম খান, ফজলুল হক খান এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলমগীর। ১৫ আগস্ট গভর্নিং বডির সভাপতি আসাদুজ্জামান খান, যিনি অন্তর্বর্তী সরকারের একজন উপদেষ্টার স্বামী, তিনি লোক পাঠিয়ে আমাকে পদত্যাগপত্রে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়ান।
এরপর আমার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্বপদে বহাল করতে রায় দেন আদালত। কিন্তু আজ পর্যন্ত আমি যোগ দিতে পারিনি।’ 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল টিটো হোসেন, ইসরাফিল আহমেদ, নাজমুল হাসান, মৃদুল, জান্নাতি আক্তার, পারমিতা প্রমুখ। জানতে চাইলে টিটো কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মবের কারণে আমার জীবনটাই পিছিয়ে গেছে। আমি আর এ ব্যাপারে কিছু বলতে চাই না।মৃদুল নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের ভুল বুঝিয়ে আন্দোলনে নামানো হয়েছে। কমিটি ও কয়েকজন শিক্ষক মিলে আমাদের উসকানি দেন। এখন বুঝতে পারছি আমরা ভুল করেছি।’

 

একাদশ শ্রেণির ছাত্র ইসরাফিল আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষকদের উসকানিতে আমরা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলাম। পরবর্তী সময়ে ভুল বুঝতে পেরে প্রতিবাদ করায় আমাকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়নি ওই স্যারেরা।’

প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ড. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান সেলিম জানিয়েছেন, কিছু কতিপয় স্বার্থান্বেষী শিক্ষক ও বহিরাগতরা অবৈধ স্বার্থ আদায়ের জন্য শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে মবের সৃষ্টি করে। শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তার ভয়ভীতি দেখিয়ে অধ্যক্ষকে পদত্যাগে বাধ্য করানো হয়।পদত্যাগ করানো শিক্ষককে যোগদানে বাধা দিলে তারও বেতন বন্ধ করা হবে—মাউশির এমন নির্দেশনার প্রসঙ্গ তুললে বর্তমান অধ্যক্ষ বলেন, ‘এখন যেহেতু কমিটি নেই, তাই মাউশি অধিদপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যদি আগের অধ্যক্ষকে যোগদান করতে বলেন, তাতে আমরা বাধা দিতে পারি না।’


More News Of This Category