এয়ার ইন্ডিয়ার পরিস্থিতি
সোমবার এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের সময় বাড়তি চাহিদার প্রেক্ষিতে আগামী সপ্তাহে ভারত, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রুটে তারা অতিরিক্ত ৭৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। তবে কিছু গন্তব্যে তাদের ফ্লাইটের সময় অনেক বেড়ে যাচ্ছে, কারণ বাধ্য হয়ে একটি অতিরিক্ত সময় যাত্রাবিরতি দিতে হচ্ছে। এর ফলে ভারত থেকে আসা-যাওয়ার রুটে লুফথানসা ও আমেরিকান এয়ারলাইন্সের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় তারা পিছিয়ে পড়ছে।
ফ্লাইডর্যাডার ২৪ অনুসারে, সোমবার এয়ার ইন্ডিয়ার দিল্লি থেকে নিউ ইয়র্কগামী ফ্লাইটটি রোমে যাত্রাবিরতি করেছে, ফলে যাত্রার সময় প্রায় ২২ ঘন্টা বেড়েছে। ইরান যুদ্ধের আগে এয়ার ইন্ডিয়া ইরাক এবং তুরস্ক হয়ে প্রায় ১৭ ঘন্টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে পারত, কোনো যাত্রাবিরতি ছাড়াই। তুলনামূলকভাবে, রবিবার আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট একই রুটে পাকিস্তান হয়ে প্রায় ১৬ ঘন্টা সময় নিয়েছিল।
টাটা গ্রুপ ও সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের যৌথ মালিকানাধীন এয়ার ইন্ডিয়া রয়টার্সকে জানিয়েছে, পাকিস্তানের আকাশসীমা নিষেধাজ্ঞার কারণে বিমান সংস্থাটির বছরে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হতে পারে বলে তারা পূর্বাভাস দিয়েছে। ভারত সরকার ২০২২ সালে বিমান সংস্থাটি বেসরকারি খাতে বিক্রি করে দেয়। আর গত বছর এয়ার ইন্ডিয়া ৪৩৩ মিলিয়ন ডলার ক্ষতির কথা জানিয়েছে।
দীর্ঘ ফ্লাইট সময় বিমান সংস্থার খরচ আরো বাড়িয়ে দেবে, কারণ জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি। ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি জ্বালানি খরচও বাড়বে।
সূত্র : রয়টার্স








