শরতের চিরায়ত রূপ নিয়ে পদ্মা নদীর চরে ফোটায় ফোটায় ফুটে ওঠে সাদা কাশফুল। প্রতি বছরের আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস জুড়ে রাজশাহী মহানগরের তীর ঘেঁষে জেগে ওঠা পদ্মার বিস্তীর্ণ বালুচরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এই শুভ্রতার মেলা। বাতাসে দোলা দেওয়া কাশের সাদা চাদর দেখতে প্রতিদিন সেখানে ভিড় জমান হাজারো দর্শনার্থী ও প্রকৃতিপ্রেমী। তবে প্রাকৃতিক নিয়মে শরতের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে এই কাশের বনও বিলীন হয়ে যায়।
আবার কবে মিলবে এই সৌন্দর্য?
প্রকৃতি ও আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, কাশফুল মূলত শরৎকালের ফুল। এই বছরের দেখা না পাওয়া কিংবা বিদায় নেওয়া কাশফুলের রূপ আবার পূর্ণাঙ্গভাবে দেখতে অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছরের ভাদ্র-আশ্বিন (আগস্ট–অক্টোবর) মাস পর্যন্ত।
বর্ষার পানি পদ্মার বুক থেকে নেমে যাওয়ার পরপরই জেগে ওঠা নতুন পলি ও বালুচরে কাশের কুঁড়ি গজাতে শুরু করে। আগামী বছরের আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে রাজশাহী পদ্মার চরে পুনরায় পূর্ণাঙ্গরূপে আত্মপ্রকাশ করবে এই অপরূপ কাশবন।
পদ্মার চরে প্রকৃতির জাদুঘর
রাজশাহীর টি-বাঁধ, আই-বাঁধ, এবং শ্রীরামপুর সংলগ্ন পদ্মার চরগুলোতে শরতের সময়ে নদীর নীল জল, ওপরের নীল আকাশ আর চরের বুকের রুপালি কাশের সমন্বয় তৈরি করে এক অনন্য পরিবেশ। দর্শনার্থীরা নৌকা পার হয়ে চরে গিয়ে ছবি তোলা ও সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে প্রকৃতির এই ক্ষণস্থায়ী উপহার উপভোগ করেন।
প্রকৃতির এই রূপ দেখতে এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আগামী শরতে আবার নতুন করে নতুন উদ্যমে সাদা পালক মেলে দরজায় কড়া নাড়বে পদ্মাপারের চিরচেনা কাশফুল।
কাশফুলের কোন নির্দিষ্ট স্মৃতির কথা ভাবছেন, নাকি আগামী শরতে ঘুরতে যাওয়ার একটি সুন্দর পরিকল্পনার জন্য জানতে চাইলেন?
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।



















আপনার মতামত লিখুন :