নওগাঁর মান্দায় মসজিদের ভেতরে ঢুকে মামুনুর রশিদ (৩৮) নামের এক মুসল্লিকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের শামুকখোল গ্রামে ফজরের নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে।
আহত মামুনুর রশিদ ওই গ্রামের মকছেদ আলীর ছেলে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন পলাতক।
জানা গেছে, আজ ভোরে ফজরের নামাজ চলাকালে হাঁসুয়া হাতে মসজিদের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন ইসমাইল হোসেন।
নামাজ শেষ হওয়ার পর তিনি ভেতরে ঢুকে মামুনুর রশিদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান এবং ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যান। অন্য মুসল্লিরা দ্রুত মামুনুরকে উদ্ধার করে প্রথমে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সেকেন্দার আলী অভিযোগ করেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ইসমাইল হোসেন এর আগেও কয়েকবার মামুনুর রশিদকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন।ইসমাইল এলাকাটিতে একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
একই গ্রামের বাসিন্দা আলম হোসেনের দাবি, মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় গত ২১ জুলাই রাতে তার ভাই আব্দুর রশিদকেও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন ইসমাইল। ওই ঘটনায় মান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলেও পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আগের ঘটনায় পুলিশ ব্যবস্থা নিলে আজ মামুনের ওপর এমন হামলা হতো না বলে তিনি মনে করেন।
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
তবে এ ঘটনায় দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ মেলেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।



















আপনার মতামত লিখুন :