শিরোনামঃ

নাতনিকে কামড়ানো সাপ ধরে খাঁচাবন্দি করলেন দাদি, ছুটে গেলেন হাসপাতালে


নাতনিকে কামড়ানো সাপ ধরে খাঁচাবন্দি করলেন দাদি, ছুটে গেলেন হাসপাতালে
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

রংপুরে রাতের অন্ধকারে বাড়ির উঠানে সাপের কামড়ের শিকার হয়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থী রিতু মনি (১৫)। তবে আতঙ্কিত না হয়ে সাপটিকে ধরে খাঁচায় বন্দি করেছেন তার দাদি মোরশেদা বেগম।

 

 

পরে সেই খাঁচাবন্দি সাপ এবং আহত নাতনিকে সঙ্গে নিয়ে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান পরিবারের সদস্যরা।

ঘটনাটি জানাজানি হলে চিকিৎসাধীন রিতুকে দেখতে আসা রোগী ও স্বজনদের মধ্যে খাঁচাবন্দি সাপটি ঘিরে তৈরি হয় ব্যাপক কৌতূহল। রিতুদের বাড়ির উঠানে এ ঘটনা ঘটে। রাতেই রিতুকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

 

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে হাসপাতালে গিয়ে রিতুর চিকিৎসা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিতুর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই ভালো।

 

রিতুর বাবা শামিম মিয়া (৪০) বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) মধ্যরাতে তার মেয়ে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির উঠানে যায়। এ সময় হঠাৎ তার পায়ে কোনো কিছু কা

মড় দেয়।

পরে মেয়ের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত সেখানে ছুটে যান। গিয়ে তারা রিতুর পাশে একটি সাপ দেখতে পান। পরে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত সাপটির নাম কালাস (কালাচ)।’

 

 

 

রিতুর দাদি মোরশেদা বেগম বলেন, ‘সাপটি কামড়ানোর পর আমার নাতনি চিৎকার দিলে আমি দ্রুত সেখানে ছুটে যাই।

 

 

গিয়ে দেখি সাপটি নিচে রয়েছে। পরে সাহস করে সাপটি ধরে ফেলি। এরপর একটি খাঁচায় বন্দি করে নাতনির সঙ্গে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসকরাও সাপটি দেখেছেন। সাপটি কোন প্রজাতির, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এটি কালাচ বা কালাসজাতীয় কোনো বিষধর সাপ হতে পারে।’

চিকিৎসকরা জানান, সাপের প্রজাতি শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সাপটি ধরে হাসপাতালে নিয়ে আসা জরুরি নয়। বরং সাপের দংশনের পর আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সাপ ধরতে গিয়ে দ্বিতীয়বার দংশনের ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়।

 

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, ‘সাপে দংশিত একজন রোগী ভোরে হাসপাতালে এসেছে। আমরা তাকে গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি। বর্তমানে রোগী অনেকটাই সুস্থ আছে। সাপে কাটা রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে পৌঁছানো গেলে মৃত্যুঝুঁকি থেকে তাকে বাঁচানো সম্ভব। তাই সাপে দংশনের পর কোনো ধরনের ঝাড়ফুঁক বা বিলম্ব না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে।’

 

 

 

 

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।