পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে দিনাজপুরের হিলি বন্দরবাজারে জমতে শুরু করেছে মসলার বেচাকেনা। ভারত থেকে পর্যাপ্ত মসলা আমদানি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় সব ধরনের মসলার দাম কমেছে। এতে স্বস্তি নিয়ে কেনাকাটা করছেন ক্রেতারা।
শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় হিলির মসলাবাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ক্রেতারা বন্দরবাজারে আসতে শুরু করেছেন।
বিশেষ করে এলাচ, জিরা, গোলমরিচ, লবঙ্গসহ বিভিন্ন মসলার চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ।
বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, গত কোরবানির ঈদে সাদা এলাচ প্রকারভেদে প্রতি কেজি পাঁচ হাজার ৫০০ থেকে পাঁচ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। তবে এবার তা চার হাজার ২০০ টাকা থেকে চার হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে কালো এলাচের দামও কমেছে।আগে প্রতি কেজি তিন হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া কালো এলাচ এখন বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৪০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায়।
এ ছাড়া, আগে এক হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হওয়া লবঙ্গ এখন এক হাজার ৪০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। গোলমরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি এক হাজার ২০০ টাকায়। অন্যদিকে, জিরার দাম কেজিতে ৬৩০ টাকা থেকে ৫৬০ টাকায় নেমে এসেছে।
জয়পুরহাট থেকে আসা ক্রেতা নাজমুল হক বলেন, হিলি বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব ধরনের মসলা আমদানি হয়। তাই এখানকার বাজারে দাম তুলনামূলক কম পাওয়া যায়। প্রতি কোরবানির ঈদেই আমরা এখান থেকে মসলা কিনে নিয়ে যাই।
স্থানীয় খুচরা ক্রেতা লুৎফর রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার মসলার দাম অনেকটাই কম। সাদা এলাচ কেজিতে প্রায় এক হাজার টাকা কমে পাওয়া যাচ্ছে
।জিরার দামও কমেছে। এতে আমরা সাধারণ ক্রেতারা উপকৃত হচ্ছি।
হিলি বিসমিল্লাহ মসলা ঘরের স্বত্বাধিকারী শাওন আহমেদ বলেন, ভারত থেকে নিয়মিত মসলা আমদানি হওয়ায় বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা এই বাজারে আসছেন। বর্তমানে বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি তত বাড়বে আশা করি।