মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে ‘‘জিরো টলারেন্স’’ নীতি অনুসরণ করে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর সদস্যগণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে ২০৩০ ঘটিকার শাহাপুর বিওপি’র আভিযানিক দল কাঁটাখালি থানাধীন পদ্মা নদীর মিডিল চর নামক এলাকায় অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে ওৎ পেতে থাকে। দীর্ঘসময় ওৎ পেতে থাকার এক পর্যায়ে আভিযানিক দল দেখতে পারে যে, কয়েকজন মাদক কারবারী একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা যোগে নদীর পাড়ে আসছে। বিজিবি’র আভিযানিক দল তাদেরকে ধরার জন্য ধাওয়া করলে মাদক কারবারীরা নৌকাটি থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি’র আভিযানিক দল কর্তৃক নৌকাটি তল্লাশী করে তার মধ্য হতে *৪৬ বোতল ESKUF সিরাপ* (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও ইঞ্জিন চালিত নৌকাটি কাঁটাখালি থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
এছাড়াও একই তারিখ আনুমানিক ২২০০ ঘটিকায় রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর অধীনস্থ প্রেমতলী বিওপি’র আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, গোদাগাড়ী থানাধীন ফরাদপুর ফরেষ্ট বাগান নামক স্থান দিয়ে মাদক দ্রব্য পাচার হবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি’র অভিযানিক দল তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফরেষ্ট বাগানের ভিতরে ওৎ পেতে থাকে। দীর্ঘসময় ওৎ পেতে থাকার পর দেখতে পায় যে, একজন মাদক কারবারী ফরেষ্ট বাগানের দিকে আসছে। উক্ত মাদক কারবারী ফরেষ্ট বাগানের কাছাকাছি আসার পর তাকে ধরার জন্য ধাওয়া করলে তার কাছে থাকা একটি বস্তা ফেলে তাৎক্ষনিক দৌড়ে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি’র আভিযানিক দল কর্তৃক বস্তাটি তল্লাশী করে তার মধ্য হতে *২৩ বোতল ভারতীয় মদ* (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য গোদাগাড়ী থানায় জমা দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।