শিরোনামঃ

মশার কয়েলে দগ্ধ রসিন আর নেই


মশার কয়েলে দগ্ধ রসিন আর নেই
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

 

মশার কয়েল থেকে দগ্ধ শিশু ফাইজান আহম্মেদ রসিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। ৯ দিন রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার রাত ১১টায় মারা যায় সে।

 

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের শহরটোক গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছোট ছেলে রসিন। গত ৩ আগস্ট বিকেলে নিজ বাড়িতে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

 

 

 

 

ওইদিন বিকেলে ৩ বছরের ছেলে ফাইজান আহম্মেদ রসিনকে ঘুম পাড়িয়ে মা ফেরদৌসি বেগম গিয়েছিলেন প্রতিবেশীর বাড়িতে। ঘরে ছেলেকে যেন মশা কামড়াতে না পারে, সে জন্য বিছানার এক প্রান্তে একটি কয়েল জ্বালিয়ে রেখে যান তিনি।

 

 

সেই কয়েল থেকে বিছানায় আগুন লেগে পুড়ে যায় ফুটফুটে শিশুটি।

রসিনের প্রতিবেশী শিক্ষক মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদ জানান, রসিনের মা ওইদিন বিকেলে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে গল্প করতে যাওয়ার আগে ঘুমন্ত ছেলে রাসিনের বিছানার পাশে মশার কয়েল জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর সেই কয়েল থেকে বিছানার চাদর ও তোশকে আগুন ধরে যায়। এক সময় রসিনের শরীরে আগুন ধরে গেলে সে চিৎকার করতে থাকে।

 

 

ঘরের দরজা বাইরে থেকে শিকল দিয়ে আটকানো থাকায় সে বের হতে পারছিল না। এ সময় চিৎকার শুনে পাশের বাড়ির লোকজন তাকে আগুন থেকে উদ্ধার করেন। ততক্ষণে রাসিনের গলা, পিঠ, পেট ও পায়ের বেশ কিছু অংশ দগ্ধ হয়ে যায়।

 

 

 

দগ্ধ রসিনকে সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান। সেখানে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা শিশুটির শরীরের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানান।

 

 

চিকিৎসাধীন অবস্থায় শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে কয়েক ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়।

 

 

 

শিশুটির বাবা মোশারফ হোসেন পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান, মা ফেরদৌসি বেগম গৃহিণী। তাদের তিন ছেলের মধ্যে রসিন ছিল সবার ছোট। গতকাল সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে।

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।