শিরোনামঃ

ফের পেছাল নোয়াখালীর শিশু আসমা হত্যা মামলার রায়

admin5
ফের পেছাল নোয়াখালীর শিশু আসমা হত্যা মামলার রায়
Getting your Trinity Audio player ready...

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বহুল আলোচিত ৫ বছরের শিশু আসমা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় দ্বিতীয় দফায় পিছিয়েছে। রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

 

 

বুধবার (২৪ জুন) সকালে নোয়াখালীর বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার এই আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর অধীনে গঠিত বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে দীর্ঘ চার বছর ধরে মামলাটির বিচার কার্যক্রম চলে। এর আগে গত ২৪ মে রায় ঘোষণার দিন ধার্য থাকলেও বিচারক তা এক মাস পিছিয়ে ২৪ জুন (বুধবার) নির্ধারণ করেছিলেন। আজ আবারও তা পিছিয়ে ১ জুলাই ধার্য করা হলো।

 

 

মামলার নথি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ চাটখিল উপজেলার মেঘা গ্রামে নিজবাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু আসমা আক্তার। ঘটনার নয় দিন পর একই বাড়ির বাসিন্দা বাবলু মিয়ার ছেলে শাহাদাতকে (২২) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে আসমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

পুলিশ হেফাজতে দেওয়া জবানবন্দিতে আসামি শাহাদাত স্বীকার করেন, ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি আসমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রেখেছিলেন।নিহত আসমার বাবা মাওলানা মো. শাহজাহান বলেন, ‘আমার নিষ্পাপ মেয়েকে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছি। আমি আদালতের কাছে এই জঘন্য অপরাধের একমাত্র আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি (ফাঁসি) নিশ্চিত করার দাবি জানাই। যেন আর কোনো বাবার বুক এভাবে খালি না হয়।’

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা বলেন, ‘২৪ মে রায় হওয়ার কথা থাকলেও আদালত তা পিছিয়ে ২৪ জুন করেছিলেন।

 

 

আজ দ্বিতীয় দফায় তারিখ পরিবর্তন করে ১ জুলাই করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, আগামী ১ জুলাই আদালতের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারটি চূড়ান্ত ন্যায়বিচার পাবে।’

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি সেলিম শাহী বলেন, ‘মামলায় উপস্থাপিত সমস্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অত্যন্ত জোরালো। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছি এবং আশা করি আদালত আসামিকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবেন।’

 

চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর চাটখিলজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন সময়ে সর্বস্তরের মানুষ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চাটখিলে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে এখন চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে নিহত শিশুটির পরিবার ও এলাকাবাসী।

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।