|
Getting your Trinity Audio player ready...
|

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত গ্লোবাল ফ্রড সামিটের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী লর্ড হ্যানসনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক নিরাপত্তা, কৌশলগত স্বার্থ এবং সহযোগিতা জোরদারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভিয়েনায় নিযুক্ত বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড হ্যানসনকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্কের প্রশংসা করেন। তিনি প্রতিরক্ষা, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা আরো সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সময় দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে লর্ড হ্যানসনও একমত পোষণ করেন।
বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কার ও আধুনিকায়ন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিটিশ পুলিশের অভিজ্ঞতা ও পেশাদারিত্বের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ পুলিশের কৌশলগত সংস্কার, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে যুক্তরাজ্যের কারিগরি সহায়তা ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, একটি জনবান্ধব, দক্ষ ও আধুনিক পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে।
এছাড়া বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার জন্য যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বাস্তুচ্যুত বিপুলসংখ্যক মানুষের মানবিক সহায়তায় যুক্তরাজ্যের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশে সুশাসন ও গণতান্ত্রিক চর্চা সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিরাপত্তা সংস্কার, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং অপরাধ বিচার খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরো ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান।
বৈঠকে লর্ড হ্যানসন বাংলাদেশের নিরাপত্তা খাতের সংস্কার পরিকল্পনা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে তিনি পুলিশ সংস্কার, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেন।
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।


















আপনার মতামত লিখুন :