পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৪

অনলাইন ড্রেস
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৪
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

 

দিনাজপুরের পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ইউনিফর্ম পরা ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ছয়টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

 

সোমবার (১২ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী থেকে একজনকে এবং মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী ও নাটোর থেকে আরো তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তাররা হলেন মো. নাঈম ইসলাম (২৩), মো. রিন্টু আলী (২৯), মো. আশিকুর রহমান (১৯) ও মো. রজব আলী (২৩)।

 

দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন মঙ্গলবার রাত ৮টায় সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহীর বাঘা থানা পুলিশের সহায়তায় বাঘা থানার সুলতানপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে নাঈম ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

এ সময় তার হেফাজত থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড ও একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

পরে নাঈমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে নাটোরের লালপুর থানার মোহরকয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে রিন্টু আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকেও একটি অ্যানড্রয়েড ও একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, রিন্টুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল ৩টার দিকে নাটোরের লালপুর থানার মির্জাপুর গ্রাম ও রাজশাহীর বাঘা থানার জোতরাঘব গ্রামে অভিযান চালিয়ে আশিকুর রহমান ও রজব আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

পুলিশের দাবি, রিন্টু আলী দিনাজপুরের পুলিশ সুপারের ইউনিফর্ম পরা ছবি ব্যবহার করে একটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছেন।

 

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, চক্রটি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে অন্যের নামে নিবন্ধিত সিমকার্ডের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করত। এসব অ্যাকাউন্টে নিজেদের পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা এবং বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

 

দিনাজপুরের পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা জানান, জব্দ করা মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে চক্রটির অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।