শিরোনামঃ

গ্যাসসংকট কাটাতে ২ বছর সময় লাগবে : বাণিজ্যমন্ত্রী


গ্যাসসংকট কাটাতে ২ বছর সময় লাগবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

গ্যাসসংকটের কারণে শিল্প-কারখানায় যে দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে, তা দীর্ঘদিনের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সমস্যা বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ‘দেশের চলমান গ্যাসসংকট থেকে স্থায়ীভাবে বের হতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে দুই বছর লাগতে পারে।

 

 

এই অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।’

শনিবার (১৫ আগস্ট) সিলেট নগরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত ‘আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জেলা পর্যায়ে বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বিগত বছরের বাস্তবায়ন মূল্যায়ন বিষয়ক জেলা কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

 

আরো পড়ুন

 

ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আটক অর্নব কারাগারে

ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আটক অর্ণব কারাগারে

 

 

 

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “দেশের বিভিন্ন মিল ও কারখানা গ্যাসের সংকটে ভুগছে, এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এই পরিস্থিতি বর্তমান সরকারের তৈরি নয়; এটি ‘উত্তরাধিকার সূত্রে’ পাওয়া সংকট।

 

 

তবে সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।”

তিনি বলেন, ‘জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সরকার প্রচলিত চিন্তাভাবনার বাইরে গিয়ে কাজ করছে। স্থায়ীভাবে সংকট থেকে বের হওয়ার জন্য অবকাঠামো তৈরি করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে।তিনি বলেন, ‘জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সরকার প্রচলিত চিন্তাভাবনার বাইরে গিয়ে কাজ করছে। স্থায়ীভাবে সংকট থেকে বের হওয়ার জন্য অবকাঠামো তৈরি করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে।মন্ত্রী বলেন, ‘অবকাঠামো তৈরি করে এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে যতটুকু সময় প্রয়োজন, সেটা দিতে হবে। এই অবকাঠামো তৈরির কাজ শেষ করতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে।’ তবে দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো তৈরির পাশাপাশি আপৎকালীন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বিষয়েও সরকার কাজ করছে বলে জানান মন্ত্রী।

 

মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আনার সম্ভাবনার বিষয়ে জানতে চাইলে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘মালয়েশিয়ার ছোট আকারের জাহাজগুলো বর্তমানে অন্যত্র কাজে নিয়োজিত। ফলে সেখান থেকে দ্রুত গ্যাস আনার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

 

 

তার পরও সাময়িকভাবে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি করা যায় কি না, সে বিষয়ে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ‘আপৎকালীন কোনো ব্যবস্থা করা যায় কি না, সেটি নিয়ে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির কাজও এগিয়ে নিতে হবে।’এর আগে কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘সিলেট অঞ্চলে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পতিত ও এক ফসলি জমি রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে হাওর ও নিম্নাঞ্চলে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে পানি জমে থাকে। এসব এলাকার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে অনেক জমি আবাদে আনা সম্ভব হবে।’

 

তিনি বলে, ‘একইভাবে সেচের অভাবে যেসব জমি বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অনাবাদি থাকে, সেখানে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি এবং দুই ফসলি জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করা সম্ভব।’

 

জলাবদ্ধতার পানি নিষ্কাশন এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে খাল খনন একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি সিলেটে তরমুজ চাষের সাফল্যকে নতুন ও অপ্রচলিত কৃষিপণ্যের সম্ভাবনার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আগাম তরমুজ উৎপাদনের মাধ্যমে সিলেটের কৃষকরা দেশের বাজারে বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন।’

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।