রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় মারা যাওয়া বয়স্ক পুরুষ হাতিটির ময়নাতদন্ত ও সৎকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। মৃতদেহের পাশে অবস্থান করা সঙ্গী হাতিটি সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে বরুণাছড়ির গভীর জঙ্গলের দিকে চলে যাওয়ায় ময়নাতদন্তের প্রতিবন্ধকতা দূর হয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ শুভলং রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাইয়ুম নিয়াজি জানান, সোমবার সকালে ভেটেরিনারি সার্জনসহ বন বিভাগের একটি প্রতিনিধিদল রাঙামাটি থেকে লংগদুর ভাসান্যাদাম এলাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। রবিবার পর্যন্ত মৃত হাতিটির পাশে আরেকটি হাতি অবস্থান করায় আমরা কাছে যেতে পারিনি।
আজ সকালে জানা গেছে, সঙ্গী হাতিটি বরুণাছড়ির দিকে চলে গেছে। এখন আমরা নমুনা সংগ্রহ ও সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করতে পারব।রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাইয়ুম নিয়াজি বলেন, ‘হাতিটির বয়স হয়েছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক সংক্রমণে ভুগছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
এর আগে রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে লংগদু উপজেলার ভাসান্যাদাম এলাকায় ৬০ বছর বয়সী এই পুরুষ হাতিটির মরদেহ প্রথম দেখতে পান এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের (ইআরটি) সদস্যরা। হাতিটি ছিল এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় এবং এটি দাঁতবিহীন।
দীর্ঘদিনের সংক্রমণ ও বার্ধক্যজনিত কারণে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি হাসপাতাল ও ডুলহাজারা সাফারি পার্কের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা একাধিকবার হাতিটিকে চিকিৎসা দিয়েছিলেন। সর্বশেষ গত ১০ এপ্রিলও হাতিটিকে ওষুধ ও বিশেষ পথ্য দেওয়া হয়ে
ছিল।