শিরোনামঃ

অনেক কষ্টে ঘরটুকু দিছিলাম, নদী তা নিয়ে গেল’


অনেক কষ্টে ঘরটুকু দিছিলাম, নদী তা নিয়ে গেল’
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

 

 

‘অনেক কষ্টে ঘরটুকু দিছিলাম, নদী তা নিয়ে গেল’

নদীভাঙনে কার্যকর ব্যবস্থার দাবিতে মঙ্গলবার নড়াইলের লোহাগড়ার কোটাকোল ইউনিয়নের বড়দিয়া বাজারসংলগ্ন খেয়াঘাটে মধুমতী নদীর তীরে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী। ছবি: কালের কণ্ঠ

‘অনেক কষ্ট করে ঘরটুক দিছিলাম। নদী তা নিয়ে গেল।

 

 

এহন আমার থাহারও কোনো জায়গা নেই। বাড়ির জমি সব চলে গেছে। অল্প এট্টু আছে, ওইটুকও থাকবে নানে। পানি টান দিলি সব চলে যাবেনে।

 

নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থার দাবিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নড়াইলের লোহাগড়ার কোটাকোল ইউনিয়নের বড়দিয়া বাজারসংলগ্ন খেয়াঘাটে মধুমতী নদীর তীরে মানববন্ধনে অংশ নেন নিহাত বেগম। ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলেন ষাটোর্ধ এই নারী।

 

শুধু নিহাত বেগমের বসতভিটা নয়, একরাতেই তার মতো অন্তত ১০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে চলে গেছে, হারিয়ে গেছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও। নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থার দাবিতে তাই মানববন্ধনের আয়োজন করে ভুক্তভোগীসহ এলাকাবাসী।

 

 

 

ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন কোটাকোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসান আল মামুদ,খাশিয়াল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বি এম বরকত উল্লাহ, মোল্যা শাহাদাত হোসেন, জাহিদুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সুলতানা বেগম, রাবেয়া আক্তার, সবুজ খান, জাহিদুর রহমান কিসমত, মামুন খান প্রমুখ।

 

ইউপি চেয়ারম্যান বি এম বরকত উল্লাহ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মধুমতি ও নবগঙ্গা নদীর সংযোগস্থলে ভাঙন সৃষ্টির ফলে বড়দিয়া মৌজাট অনেককাংশে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বাজারের অধিকাংশ দোকানঘর ভেঙে গেছে। আজ নতুন করে ভাঙন দেখা দেওয়ায় বড়দিয়া বাজার হুমকির মুখে পড়েছে।

 

তিনি বলেন, এখন পানি বাড়ছে।

 

 

দুই দিন পর পানি টান দেবে। তখন ভাঙন আরো বেড়ে যাবে। সেটি রোধ করতে হলে অবিলম্বে এখানে জিও ব্যাগ ফেলতে হবে। বড়দিয়া খেয়াঘাট থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলে নদীপারের বাসিন্দা ও দোকানঘর বাঁচাতে সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

কোটাকোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাচান আল মামুদ বলেন,ব্রিটিশ আমলের বড়দিয়া বাজার খাশিয়াল ও কোটাকোল ইউনিয়নের মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্যের একটি কেন্দ্র। বাজারটি এখন নদীভাঙনের কারণে ছোট হয়ে যাচ্ছে। আমরা দুই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নদীভাঙনের বিষয়ে সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়েছি। আশা করি ভাঙন রোধে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।

 

বক্তারা নদীভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি জানান।

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।