তিনি বলেন, ‘এর কিছুক্ষণ পরে লোকাল কিছু ছেলে বাইরে জড়ো হয়েছিল। পরে হাসনাত আবদুল্লাহ নিজে গিয়ে তাদের কাছে কথা বলে সাড়ে পাঁচটা-ছয়টার দিকে চলে যান।’
জড়ো হওয়া ওই ব্যক্তিদের অনেককে মনজুর আলমকে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে আখ্যা দিতে শোনা যায়।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়েছিলেন এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। পরে ওই বাসার সামনে একদল যুবক জড়ো হয়ে নিজেদের জুলাইযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে আবদুল্লাহকে নানা প্রশ্ন করছেন এমন কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
সেখানে ঠিক কী হয়েছিল জানতে আবদুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে এ বিষয়ে বিবিসি বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে সাবেক মেয়র মনজুর আলম।তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামে হাসনাত আবদুল্লাহ সাহেবের একটি প্রোগ্রাম ছিল। তিনি চট্টগ্রামে এসে আমাকে ফোন দিয়েছিলেন দুপুরে। বলেছিলেন আমার বাসায় আসবেন। আমি তাকে দুপুরে খাওয়ার আমন্ত্রণ জানাই।
তিনি বলেন, ‘এর কিছুক্ষণ পরে লোকাল কিছু ছেলে বাইরে জড়ো হয়েছিল। পরে হাসনাত আবদুল্লাহ নিজে গিয়ে তাদের কাছে কথা বলে সাড়ে পাঁচটা-ছয়টার দিকে চলে যান।’
জড়ো হওয়া ওই ব্যক্তিদের অনেককে মনজুর আলমকে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে আখ্যা দিতে শোনা যায়।
সাবেক এই মেয়র দাবি করেন, এখানে যারা এসেছিল সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, এবং তাদের সবার বাসাও আশপাশের এলাকায়।
রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন। এখন তিনি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত।
আগামীতে এনসিপির হয়ে মেয়র নির্বাচন করতে চান, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মানুষ এটা নিয়ে কানাঘুষা করতেছে। আমি তো কাউকে বলি নাই আমি নির্বাচন করব।’
এ নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে কোনো কথা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
মনজুর আলম ২০১০ সালে বিএনপির সমর্থন নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
সূত্র : বিবিসি বাংলা