শিরোনামঃ

বাঘায় মহিষ চুরির ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার করে আদালতে দোষ স্বীকার


প্রকাশের সময় : জুন ১৩, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ন | ৫০৯
বাঘায় মহিষ চুরির ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার করে আদালতে দোষ স্বীকার

অপরাধ দমনে বাঘা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব সেরাজুল হক দায়িত্ব গ্রহণের পর একের পর এক ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন করে সাফল্য দেখাচ্ছেন।

গত ১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ রাতে বাজুবাঘা ইউনিয়নের আরিফপুর দেওয়ান পাড়া গ্রামের আলম সরকারের বাড়ির সামনে থেকে দুষ্কৃতকারীরা একটি পুরুষ মহিষ চুরি করে নিয়ে যায়। সাদা পিকআপ ভ্যানে তোলা ওই মহিষের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ টাকা। এ বিষয়ে বাঘা থানায় চুরি মামলা রুজু হয়। মামলা নং ১, তারিখ ১/১/২৫, ধারা দঃ নঃ বৃঃ। ঘটনার পর পুলিশ লুণ্ঠিত মহিষ ও পিকআপ গাড়িটি উদ্ধার করলেও আসামিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে ছিল।

বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি শনাক্ত ও তাদের অবস্থান নিশ্চিত করেন। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ গত ২ জুন ২০২৬ তারিখ রাজশাহীর কাটাখালী থেকে স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় ঘটনার সাথে জড়িত আসামি মো. সজিব আলী (২৭), পিতা রফিক আলী, গ্রাম কুখন্ডি সোনারপাড়া, থানা কাটাখালীকে গ্রেপ্তার করেন। একই দিন তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

আদালত থেকে রিমান্ড মঞ্জুর হলে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে সজিব আলী মহিষ চুরির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের নামও প্রকাশ করে। গত ৮ জুন ২০২৬ তারিখ তাকে আদালতে উপস্থাপন করলে সে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক বলেন, “মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা ও অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ক্লুলেস মামলাও আমরা উদঘাটন করছি। মামলার তদন্তের স্বার্থে ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের নাম এখন প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

পুলিশের এই তৎপরতায় এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং পুলিশের পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।