বাংলাদেশে বিনিয়োগ কার্যক্রম সহজ করতে দলিল যাচাইকরণসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা দূর করার দাবি জানিয়েছেন চীনা বিনিয়োগকারীরা। এসব জটিলতা কমানো গেলে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং ব্যবসা পরিবেশ আরো উন্নত হবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই)।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিপিপিএ কার্যালয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় বিসিসিসিআই প্রতিনিধিরা এ দাবি জানান।
সভায় বিসিসিসিআই-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং স্থায়ী উপকমিটির কো-চেয়ারম্যান চাও চংচং দলিল যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার জটিলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।তিনি বলেন, বিনিয়োগ কার্যক্রমে সময়ক্ষেপণ ও অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
বিসিসিসিআই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এ জেড এম আজিজুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ-চীন যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
সভায় জেনারেল সেক্রেটারি জামিলুর রহমান দেশের জ্বালানি সংকটের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, এলএনজি আমদানিতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হলে জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হতে পরে।
জবাবে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, বিনিয়োগকারীদের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রশাসনিক জটিলতা কমানো ও জ্বালানি সরবরাহ উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
তিনি আরো জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, অবৈধ সংযোগ কমানো এবং বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সামগ্রিক জ্বালানি পরিস্থিতি উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সভায় বিসিসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট খন্দকার আতিকুর রহমান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আবু তাহেরসহ চেম্বারের অন্যান্য সদস্য এবং বিডার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।