শিরোনামঃ

অদক্ষ ও কিশোর শ্রমিকের মজুরি পুনর্নির্ধারণের দাবি স্কপের


অদক্ষ ও কিশোর শ্রমিকের মজুরি পুনর্নির্ধারণের দাবি স্কপের
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত অদক্ষ ও কিশোর শ্রমিকদের জন্য সরকার নির্ধারিত নতুন মজুরি পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে এই মজুরি কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

 

 

জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, শ্রমের ধরন, ঝুঁকি ও উৎপাদনশীলতাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দ্রুততম সময়ে এই মজুরি পুনর্বিবেচনা করতে হবে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে স্কপ নেতারা এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে স্কপ নেতারা উল্লেখ করেন, ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত অদক্ষ শ্রমিকের মূল মজুরি ৪ হাজার ৪৩০ টাকা ও সর্বসাকুল্যে ৭ হাজার ২ টাকা এবং কিশোর শ্রমিকের মূল মজুরি ৪ হাজার ৭৫ টাকা ও সর্বসাকুল্যে ৬ হাজার ৫০৫ টাকা নির্ধারণ করে গত ৩ আগস্ট সরকার গেজেট প্রকাশ করেছে। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে নির্ধারিত এই মজুরিকে ‘অমানবিক ও অযৌক্তিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন তারা।

 

 

নেতারা বলেন, এমন সিদ্ধান্ত শ্রমিকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, নবম পে-স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বসাকুল্যে ৪১ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। অথচ একই বাজারের ভোক্তা হওয়া সত্ত্বেও বেসরকারি খাতের শ্রমজীবী মানুষের জন্য যে মজুরি ধার্য করা হয়েছে, তা দিয়ে পরিবার নিয়ে বাঁচা দূরে থাক—একজন শ্রমিকের নিজের খেয়ে-পরে বেঁচে থাকাও সম্ভব নয়।

 

শ্রমিক নেতারা প্রশ্ন তোলেন, একজন শ্রমিক যদি সর্বনিম্ন জীবনধারণই করতে না পারেন, তবে তিনি কিভাবে উৎপাদনশীল কাজে মনোযোগ দেবেন? মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার ব্যয়, উৎপাদনশীলতা, মূল্যস্ফীতি, কাজের ঝুঁকি ও দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।এই অবস্থায় বর্তমান মজুরি বাতিল করে শ্রমিকদের জন্য একটি জীবনযাপন উপযোগী মজুরি কাঠামোর জোর দাবি জানান স্কপ নেতৃবৃন্দ।

যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খান নাসিম, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহউদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের সভাপতি শাহ মো. আবু জাফর ও সাধারণ সম্পাদক সাকিল আক্তার চৌধুরী, জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক বাদল খান, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল, জাতীয় শ্রমিক জোট-বাংলাদেশের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুজ্জামান বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক নঈমূল আহসান জুয়েল, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সভাপতি চৌধুরী আশিকুল আলম, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এস কে খোদা তোতন ও সাধারণ সম্পাদক এ এ এম ফয়েজ হোসেন এবং জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শামীম আরা ও সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম।

জরুরী বিজ্ঞপ্তি: বিঃদ্রঃএই ওয়েব সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।