মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে এলেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটার তাওহিদ হৃদয় ও টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
তাদের দুজনের সঙ্গে চেয়ারে বসলেন বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার রাবীদ ইমাম, প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন ও প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজিম এ চৌধুরী।
আগামীকাল থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের ১১তম আসর। সেই টুর্নামেন্ট নিয়ে কথা বলতেই তাদের আগমন।দেশের ৩৫০টি স্কুল টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। সব মিলিয়ে ৮৭৫০ জন ক্রিকেটারকে খেলতে দেখা যেতে পারে। জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালসহ মোট ৬৫১টি ম্যাচ হবে।
জেলা পর্যায়ের ম্যাচগুলোর জন্য ভেন্যু হিসেবে থাকছে প্রতিটি জেলা স্টেডিয়াম ও ঢাকা মেট্রো জোনের চারটি ভেন্যু।
হৃদয় স্কুল ক্রিকেট থেকেই উঠে এসেছেন। আজ মাইক্রোফোন হাতে নিজেদের স্কুল ক্রিকেট জীবনের স্মৃতিচারণা করলেন তিনি।
হৃদয় বললেন, ‘আমার জীবনের শুরুটাই হয়েছে এই স্কুল ক্রিকেট দিয়ে। আমি বগুড়া পুলিশ লাইন্স থেকে পড়াশোনা করেছি। স্কুল ক্রিকেটের অনেক স্মৃতি আছে এখনো, সেগুলো মনে পড়ে।স্কুল ক্রিকেট এমন একটা জায়গা, যেখান থেকে অনেক ক্রিকেটার উঠে এসে অনেক জায়গায় অংশ নিয়েছে। এমনকি আমি চার বছর খেলেছি, আমার বগুড়া পুলিশ লাইন্স বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে একবার।’
স্কুল ক্রিকেট থেকে উঠে আসা একটি দলের হয়ে দেশের বাইরে এক সফর নাকি সহজ করে দিয়েছিল শান্তর বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের পথ। তিনি বললেন, ‘তখন স্কুল ক্রিকেটের একটা সফর ছিল কেরালাতে। ওই টুর্নামেন্ট আমার ক্যারিয়ারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ, আমি সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলাম। তারপর অনূর্ধ্ব-১৮ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খুব তাড়াতাড়ি চলে এসেছিলাম। আমি মনে করি স্কুল ক্রিকেটটাকে বড় করে দেখা উচিত।’