কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাইশগাঁও গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদনা খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোই তিন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা। উপজেলার বাইশগাঁও, মড়হ ও গাঞ্জিয়াপাড়া গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়েই চলাচল করছে।
স্থানীয়রা জানান, নদনার খালের এক পাশে রয়েছে বিদ্যালয়, আর অন্য পাশে কয়েকশো হেক্টর ফসলি জমি। ফলে শিক্ষার্থী ও কৃষক উভয়কেই প্রতিদিন সাঁকো পার হয়ে যাতায়াত করতে হয়।বিকল্প কোনো সড়ক বা সেতু না থাকায় বাধ্য হয়ে বাঁশের সাঁকোটির ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।
আরো জানান, প্রতিবছর নিজেদের উদ্যোগে সাঁকোটি মেরামত করা হয়। তবে এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় স্থায়ী সমাধান হিসেবে একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় কৃষক সুমন পাটোয়ারী বলেন, সাঁকোটির পূর্ব পাশে কয়েক শ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে।এসব জমিতে চাষাবাদ করতে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। একটি সেতু হলে কৃষকদের অনেক উপকার হতো।
বাইশগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মাহমুদুল হাসান বলেন, নদনার পশ্চিম পাড়ে বাইশগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পূর্ব পাড়ে কৃষিজমি। শিক্ষার্থী ও কৃষক—দুই পক্ষই প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হয়।
বাইশগাঁও পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী সাঁকো পার হওয়ার সময় ভয় পায়। অনেক সময় বই-খাতা নিয়েও খালে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিকল্প কোনো সড়ক বা সেতু না থাকায় বাধ্য হয়ে বাঁশের সাঁকোটির ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।
আরো জানান, প্রতিবছর নিজেদের উদ্যোগে সাঁকোটি মেরামত করা হয়। তবে এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় স্থায়ী সমাধান হিসেবে একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় কৃষক সুমন পাটোয়ারী বলেন, সাঁকোটির পূর্ব পাশে কয়েক শ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে।