*সিরাজগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন*
*সোনালী ব্যাংক পিএলসি জেলা কমিটি ও জিয়া পরিষদের উদ্যোগে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল*
*মোঃ ইনসাফ আলী | সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি | দেশের প্রত্যয়*
*সিরাজগঞ্জ:* বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে *সিরাজগঞ্জ জিয়া পরিষদ ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি, জেলা কমিটি*। সিরাজগঞ্জ শহরের একটি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন *সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি রোমানা মাহমুদ*। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও জিয়া পরিষদের জেলা-উপজেলার দায়িত্বশীলবৃন্দ।
*আলোচনা সভায় যা বলা হয়:*
সভার শুরুতে শহীদ জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক সৈনিক ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং ‘উনিশ দফা কর্মসূচি’র মাধ্যমে দেশের কৃষি, শিল্প ও গ্রামীণ অর্থনীতির ভিত মজবুত করেছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে *জেলা বিএনপি সভাপতি রোমানা মাহমুদ* বলেন, “শহীদ জিয়া শুধু একটি নাম নয়, তিনি বাংলাদেশের তারুণ্যের প্রেরণা। তাঁর দেখানো পথেই দেশের মানুষ আজ গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরে পেতে সংগ্রাম করছে। সিরাজগঞ্জের মাটি জিয়ার আদর্শের মাটি। সোনালী ব্যাংক পিএলসি জেলা কমিটি ও জিয়া পরিষদের এই যৌথ আয়োজন প্রমাণ করে—জিয়ার আদর্শ এখনো প্রাণবন্ত।”
তিনি আরও বলেন, “আজকের তরুণ প্রজন্মকে শহীদ জিয়ার আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের ইতিহাস জানতে হবে। দুর্নীতিমুক্ত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে জিয়ার ‘উনিশ দফা’ বাস্তবায়ন করতে হবে।”
*সোনালী ব্যাংক পিএলসি জেলা কমিটির বক্তব্য:*
সোনালী ব্যাংক পিএলসি সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, “জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা শুধু ব্যাংকিং সেবাই দিই না, দেশের মহান নেতাদের স্মরণও করি। শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ব্যাংকাররা জনসেবায় আরও নিষ্ঠার সাথে কাজ করবে।”
*উপস্থিতি:*
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, জিয়া পরিষদ, সোনালী ব্যাংক পিএলসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল শোকাবহ পরিবেশ ও জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার।
পরিশেষে শহীদ জিয়াউর রহমান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার পরিবার এবং দেশ-জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।