
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ৪নং মৌগাছি ইউনিয়নের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও নান্দনিক রূপদানে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ২০১১–২০১৬ মেয়াদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড। তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল হোসেন খানের ব্যক্তিগত ও পরিষদের উদ্যোগে ইউনিয়নের মোড়ে মোড়ে চত্বর নির্মাণসহ দৃশ্যমান নানা সুষম উন্নয়নে পাল্টে যায় পুরো এলাকার চিত্র।
২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মেয়াদে ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ মোড়, রাস্তার সংযোগস্থল এবং জনসমাগমপূর্ণ স্থানে তৈরি করা হয় আকর্ষণীয় এসব চত্বর। বিশেষ করে বাথা হরিপুরের ঐতিহাসিক বটগাছসংলগ্ন মোড় এবং ঐতিহ্যবাহী উদয়ের অর্থাৎ হাড়িয়ার ঘাট মোড়ে দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য ও চত্বর নির্মাণ করা হয়, যা সাধারণ পথচারী ও স্থানীয়দের দৃষ্টি কাড়ছে। এসব উদ্যোগের ফলে মৌগাছি ইউনিয়নের গ্রামীণ দৃশ্যপটে এসেছে আধুনিকতার ছোঁয়া।
নান্দনিক সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি ইউনিয়নের সার্বিক নাগরিক সুবিধ্বেও ছিল বিশেষ নজর। সাধারণ মানুষের নিরাপদ পানির সংকট দূর করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে স্থাপন করা হয়েছিল জনবান্ধব টিউবওয়েল এবং আর্সেনিক ও আয়রনমুক্ত পানি পানের সুব্যবস্থা। পাশাপাশি ইউনিয়নজুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার ও নতুন রাস্তা নির্মাণের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, আবুল হোসেন খানের আমলে গৃহীত এসব দৃশ্যমান উন্নয়ন উদ্যোগ মৌগাছি ইউনিয়নকে মোহনপুর উপজেলার মধ্যে একটি অন্যতম মডেল ইউনিয়ন হিসেবে পরিচিতি দিয়েছিল। গ্রামীণ চত্বর ও সবুজ বটবৃক্ষসংলগ্ন দৃষ্টিনন্দন স্থানগুলো আজ অব্দি স্থানীয়দের জন্য এক মনোরম পরিবেশের আবহ তৈরি করে রেখেছে।