বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ইকবাল হোসেনকে (৬২) হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এস এম সামার রাজুসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ২৫ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
রবিবার (৩ মে) রাতে সান্তাহার রেলওয়ে থানায় মামলাটি করেন আহত ইকবালের ভাই আজিজুল হক রাজা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে সান্তাহার রেলগেট থেকে স্টেশনের দিকে যাওয়ার পথে রেলওয়ে সুইচকেবিন সংলগ্ন এলাকায় নীরব নামের এক ব্যক্তির দোকানের খুঁটি স্থাপন নিয়ে রেলওয়ে পুলিশের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়।পুলিশের বাধা সত্ত্বেও কাজ চলতে থাকলে বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান।
এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে নীরবের ডাকে ২৫–৩০ জনের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে। পরে তারা ইকবাল হোসেনকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং একপর্যায়ে তার পেটে অস্ত্রের আঘাত করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় দায়ের মামলায় সান্তাহার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সামার রাজু, শুভ, নীরবসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনার পর পরই সান্তাহার পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টুর উপস্থিতিতে রেল বিভাগের লোকজন ঘটনাস্থলে থাকা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করেন। এছাড়া স্থানীয় এমপি আব্দুল মহিত তালুকদারের নির্দেশে ওই দিন রাতেই ওই স্থান থেকে সামার রাজুর একটি বিলবোর্ড অপসারণ করা হয়।
সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, ‘মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এছাড়া স্টেশনে চলাচলের রাস্তার ধারে আর কোনো দোকান বসতে দেওয়া হবে না।