তিনি আরো জানান, সোমবার (২১ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা তার মাথায় বস্তা চাপিয়ে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
ভুক্তভোগীর ছেলে মো. অলি উল্লাহ সরদার জানান, এ ঘটনায় পাংশা মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
রাজবাড়ীর পাংশা পৌর এলাকার মৌকুড়ি গ্রামে মামলা তুলে না নেওয়ার জেরে খালেক সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২১ এপ্রিল) রাতে ভুক্তভোগীর বাড়ির অদূরে এ ঘটনা ঘটে।
আহত খালেক সরদার মৌকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও মো.ওয়াজেদ সরদারের ছেলে। বর্তমানে তিনি পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযো্গে বলা হয়, একই এলাকার আক্কাস আলী ওরফে আগুন, নিলু মন্ডল, সোমসের খা, তার ছেলে সোহান খাসহ আরো কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি এ হামলার সঙ্গে জড়িত।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেক সরদার জানান, ৩-৪ বছর আগে একটি ঘটনার জেরে তার স্ত্রী মোছা. রহিমা বেগমকে মারধর করা হয়। ওই ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এটি বর্তমানে রাজবাড়ী আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
তিনি আরো জানান, সোমবার (২১ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা তার মাথায় বস্তা চাপিয়ে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
ভুক্তভোগীর ছেলে মো. অলি উল্লাহ সরদার জানান, এ ঘটনায় পাংশা মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তবে অভিযুক্ত আক্কাস আলী ওরফে আগুন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, খালেক সরদারের সঙ্গে তার কোনো বিরোধ নেই। পূর্বের একটি মামলার বিষয়ে সালিশ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। তাকে কে বা কারা মারধর করেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন
না।
ঘটনার পর অন্য অভিযুক্তদের কাউকে এলাকায় পাওয়া যায়নি। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ।পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঈনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।