এ ঘটনা ফেসবুকে ও স্থানীয়ভাবে মাইকিং করে প্রচার করা হয়। পরে আতিকাকে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পান্নু মিয়া, ফজলু মিয়া এবং নাজমুলকে আটক করে গণধোলাই দেয় স্থানীয় জনতা।
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বনপাড়িল গ্রামের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে ৯ বছরের শিশু আতিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা জিনিসিপত্র না পাওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করেন স্থানীয়রা। পরে ওই শিশুর হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরো একজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- বনপাড়িল গ্রামের পান্নু মিয়া ও তার ভাই ফজুল মিয়া। এ ছাড়া আহত হয়েছেন পান্নু মিয়ার ছেলে নাজমুল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বনপাড়িল গ্রামের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে আতিকার মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনা ফেসবুকে ও স্থানীয়ভাবে মাইকিং করে প্রচার করা হয়। পরে আতিকাকে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পান্নু মিয়া, ফজলু মিয়া এবং নাজমুলকে আটক করে গণধোলাই দেয় স্থানীয় জনতা।
এদিকে ঘটনার পর রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল আল
মামুন এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকরাম হোসেন। এ ঘটনায় এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বনপাড়িল গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ।
শিশু অতিকার অস্বাভাকি মৃত্যু হয়েছে জানিয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকরাম হোসেন জানান, গণধোলাইয়ের মৃত্যুসহ সব বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।