বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় সাথী আক্তার (২৩) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের বকশিরচর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সাথী আক্তার বরিশাল নগরীর মুখার্জিরপুল এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে।
নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রায় তিন বছর আগে বাবুগঞ্জের বকশিরচর এলাকার শাহ আলম মৃধার ছেলে নাঈম মৃধার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ঘটনার পর থেকে সাথীর স্বামী নাঈম ও শাশুড়ি ফাতেমা বেগম আত্মগোপনে রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সাথীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
পুলিশ যাওয়ার পর নাঈম ও ফাতেমা বাড়ি থেকে চলে যান। পরে পুলিশ সাথীর মরদেহ উদ্ধার করে।
সাথীর স্বজনদের অভিযোগ, তাঁকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। নিহতের মা বলেন, ‘আমার মেয়েকে মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
ঘটনা রাতে হলেও সকালে পাশের এক ব্যক্তির ফোন পেয়ে আমরা খবর পাই। সেখানে গেলে আমার মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে বাধা দেওয়া হয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘১৫ দিন আগেও টাকার জন্য আমার মেয়েকে মারধর করা হয়েছিল। তখন আমরা গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছিলাম। আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।
আমি এর বিচার চাই।’
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাঈম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।