পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গবাদি পশুর ওষুধ ও পশুখাদ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নিষিদ্ধ স্টেরয়েড ওষুধ বিক্রি ও সংরক্ষণের অভিযোগে ৯টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয়।
মঙ্গলবার পিরোজপুর সদর উপজেলায় পরিচালিত মোবাইল কোর্টে গবাদি পশুর ওষুধ বিক্রয়কারী একটি দোকানে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ‘ডেক্সারেন’ সংরক্ষণ ও বিক্রির অপরাধে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একই সঙ্গে দোকান মালিককে স্টেরয়েড ওষুধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবহিত করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ওষুধ বিক্রি না করার জন্য সতর্ক করা হয়।
এদিকে একই দিনে নেছারাবাদ উপজেলায় ‘মৎস্য খাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০’ এর আওতায় পরিচালিত পৃথক দুইটি মামলায় দুই ব্যক্তিকে মোট ৫ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অন্যদিকে নাজিরপুর উপজেলায় পরিচালিত আরেকটি মোবাইল কোর্টে মেয়াদোত্তীর্ণ পশু ওষুধ বিক্রির দায়ে দুইটি দোকানকে মোট ৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া ভান্ডারিয়া উপজেলায়ও ‘মৎস্য খাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০’ এর অধীনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।এ সময় পৃথক চারটি মামলায় চারজনকে মোট ১০ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. সুদেব সরকার সহযোগিতা করেন।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয় জানান, কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ ওষুধ ব্যবহার বন্ধ এবং নিরাপদ পশু উৎপাদন নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভেজাল ও ক্ষতিকর উপাদানের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন
।