নগরকান্দায় স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় সালিস কারীদের নামে মিথ্যা অভিযোগ
বিশেষ প্রতিনিধি
ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের শ্রীরামদিয়া গ্রামে গত ২৪ মার্চ জাহাঙ্গীর মাতুব্বরের ঘরের বেড়া কেটে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা সহ মোট আড়াই লক্ষ টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে একই বাড়ীর ঘর জামাই থাকা মুহিত (৪৫) এর বিরুদ্ধে পরে স্হানীয় এবং গ্রামের লোকজনকে বিষয়টি জানালে তারা মুহিত এর নিকট জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রথমে অস্বীকার করলে ফকিরি মতে (রুটি পড়া) খাওয়ালে তিনি অকপটে চুরি করেছে বলে স্বীকার করে বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়।
এই চুরির ঘটনায় ২৩ এপ্রিল গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একটি সালিস করে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য্য করা হলে সেই টাকা দিতে ২০ দিন সময় নেয় কিন্তু টাকা পরিশোধ করার আগেই একটি মহল সালিস কারীদের বিরুদ্ধে তাদের সাক্ষাৎকার না নিয়েই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করে তাদের সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করে যে রুটি পড়া দিয়ে, ঘর জামাইকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে অভিযুক্ত মুহিদের স্ত্রী তরুনা বেগম (৩৫) নিকট জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন আামার স্বামী চুরি করেছে আমি বিশ্বাস করি ইতিপূর্বে আমার ভাইদের ঘরে চুরি করে পালিয়েছিল আবারও বাড়িতে আসছে এই চুরির ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে, তবে কোথায় আছে আমি জনিনা, তিনি আরও বলেন মাদক মামলায় জেল খেটেছেন এবং সে মাদকসেবী।
শালিসকারীরা ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং তার স্বামীকে মিথ্যা মামলা দিয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এসব কথা মিথ্যা এবং বানোয়াট মুঠোফোনে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় আমার সাথে যে কথোপকথন হয়েছে আমি তার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তি সাহিদ সেক বলেন আমরা সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সালিস করেছি, যে, বা যাহারা আমাদের বিরুদ্ধে সালিসের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছে বিষয়টি মিথ্যা ও বানোয়াট আমাদের সম্মান হানি করার চেষ্টা করছে আমারা তার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
একটি ঘটনা গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের আগে দুটি পক্ষের সাক্ষাৎকার না নিয়ে প্রচার করা সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেছেন এলাকা
র সুধী জনেরা।