থেকে পাওয়া যায়। অকটেনের বড় একটি অংশ আসে দেশীয় গ্যাস ফিল্ড থেকে। কোয়ালিটি নিশ্চিত করতে বুস্ট করার জন্য কিছু অকটেন আমদানি করা হয়। তেল নিয়ে আতঙ্ক ছড়াতে শুরু করে ৫ মার্চ থেকে। ওই দিন অনেকেই গাড়ির ট্যাংকি ভর্তি করে নিতে থাকেন। এতে বাড়তি চাপে সংকটের শঙ্কায় তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করে দেয় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। আপাতদৃষ্টিতে সমাধান মনে হলেও এতে অনেকেই বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।
বিপিসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান বলেন, ‘জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করব। শুধু চলতি মাস নয়, আগামী জুন পর্যন্ত তেল সরবরাহ নিশ্চিত রয়েছে। পরিশোধিত তেল যেসব উৎস থেকে আসবে, ইরান যুদ্ধের কোনো প্রভাব নেই ওইসব অঞ্চলে। এগুলো আসবে চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া থেকে।’
সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন