প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের ‘যৌক্তিক সমাধান’ খুঁজতে জাতীয় স্বার্থে যৌথভাবে কাজ করার লক্ষ্যে ১০ সদস্যের একটি যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিরোধী দলকেও পাঁচজনের নাম দিতে আহ্বান জানিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় সরকারি দলের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের নাম ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত কমিটির প্রধান হবেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ টুকু এবং এতে সরকারি ও বিরোধী দল থেকে সমানসংখ্যক পাঁচজন করে সদস্য থাকবেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বিরোধী দলের প্রস্তাব ও পরামর্শ এই কমিটির মাধ্যমে সরকারের কাছে যাবে। সেখানে বাস্তবসম্মত কিছু থাকলে সরকার তা কার্যকর করার উদ্যোগ নেবে।’
সংসদ নেতা বলেন, ‘এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। যার প্রভাব সারা বিশ্বে পড়েছে।তবে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে সরকার যে কারো সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। বিএনপি সব সময় দেশের স্বার্থে দেশের মানুষের স্বার্থে যেকোনো আলোচনা যে কারো সঙ্গে করতে প্রস্তুত রয়েছে।’
স্পিকারকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি যে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করছি। আমি আপনার মাধ্যমে বিরোধীদলীয় নেতা এবং বিরোধী দলকে অনুরোধ করব তারাও যদি পাঁচজনের নাম দেন তাহলে এই ১০ জন ব্যক্তি বসে এই বিষয়গুলো আলোচনা করতে পারেন।সংসদ নেতা আরো বলেন, ‘কোনো পরামর্শ থাকলে এই কমিটির মাধ্যমে সেটি সরকারের কাছেও এলো এবং সরকার সেটার মধ্যে কোনো বাস্তবতা থাকলে অবশ্যই সেটি কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে।’
সরকারি দলের পক্ষ থেকে ঘোষিত পাঁচ সদস্য হলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সংসদ সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, মইনুল ইসলাম খান শান্ত ও মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
পরে তিনি বলেন, ‘কমিটির সুপারিশ যাতে বাস্তবায়নের মুখ দেখতে পারে, সে জন্য জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে সভাপতি করার প্রস্তাব করা হচ্ছে।’এর আগে গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বিরোধীদলীয় নেতা সরকারের সঙ্গে বসে সমাধান খোঁজার প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের পক্ষ থেকেও কিছু পরামর্শ আছে, সেগুলো নিয়ে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করতে পারে।