চরভদ্রাসনে প্রাথমিক বিদ্যালয় ২৯ শিক্ষকদের আইসিটি প্রশিক্ষণ, অবগত নয় জেলা কর্মকর্তা
ফরিদপুর প্রতিনিধি
চরভদ্রাসন উপজেলা শিক্ষা অফিসার আজিজুর রহমান জেলা শিক্ষা অফিসারকে অবহিত না করে এমন কি উপজেলা শিক্ষা অফিসার আজিজুর রহমান জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন কে না জানিয়ে গাজীরটেক ক্লাস্টারের ২৯ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা প্রধান শিক্ষক নিয়ে আইসিটি প্রশিক্ষণ করছে।
২৪ জুন সকাল সাড়ে দশটায় চর হাজিগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় তলায় এতে করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যহত হচ্ছে।
জানা গেছে, চরভদ্রাসন উপজেলায় ৫৪ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে বিদ্যালয় গুলো দুটি ক্লাস্টারে বিভক্ত করা হয়েছে। গাজীরটেকও চর হরিরামপুর দুটি ইউনিয়নের ২৯ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ২৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রধান শিক্ষক নিয়ে গাজীরটেক ক্লাস্টারের ২৯ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা আইসিটি প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করছে।
ফরিদপুর জেলা শিক্ষা অফিসারের কোন চিঠি বা নির্দেশনা ছাড়াই প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। জেলা অফিসারের নিকট এ ধরনের প্রশিক্ষণ এর বিষয়ে কোন অবহিত করা হয়নি।
আরওজানা গেছে, চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেকও চর হরিরামপুর দুটি ইউনিয়নের ২৯ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।
গাজীরটেক ক্লাস্টারের দায়িত্ব আছেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আজিজুর রহমান। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে আইসিটি প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিচ্ছে।
জেলা শিক্ষা অফিসারকে না জানিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আজিজুর রহমান তিনি২৯ জন শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়ে গাজীরটেক ক্লাস্টারের আইসিটি ট্রেনিং করে ২৯ টি স্কুলের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে বলে কয়েকজন জানিয়েছে।
চরহাজিগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসমা আক্তার কে এই ধরনের প্রশিক্ষণের কোন চিঠি আছে কি-না জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান আমার জানা নেই। জেলা শিক্ষা অফিসারের চিঠি ছাড়া এ ধরনের প্রশিক্ষণ হতে পারে কিনা তাও আমি জানিনা।
এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো:মহিউদ্দিন
জানান, আমি চরভদ্রাসন উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে আইসিটি প্রশিক্ষণের কোন নির্দেশনা দেইনি এবং আমাকে আইসিটি প্রশিক্ষণের ব্যাপারে কোন অবহিত করা হয়নি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার জেলা শিক্ষা অফিসার না জানিয়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণ এ কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের তিনি জানান পড়াশোনা ব্যাহত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া মমতাজ কে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।