খুলনা মহানগরীর সদর থানার দারোগাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি পিস্তল, আট রাউন্ড গুলি, পাঁচটি খালি ম্যাগাজিনসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় খান কুব্বত আলী নামের এক ব্যক্তি, তাঁর স্ত্রী শামসুন্নাহার জলি ও ছেলে কেএম আবির হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত সদর থানাধীন দারোগাপাড়া মহিউদ্দিন লেনের একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া খান কুব্বত আলীর বাসায় সদর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যৌথভাবে অভিযান চালায়। তল্লাশি চালিয়ে তিনটি পিস্তল, আট রাউন্ড গুলি, পাঁচটি খালি ম্যাগাজিন, তিনটি চাইনিজ কুড়াল ও দুটি দেশীয় রামদা উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের পর খান কুব্বত আলী, তাঁর স্ত্রী শামসুন্নাহার জলি ও ছেলে কেএম আবির হাসানকে থানায় নেওয়া হয়।
শামসুন্নাহার জলি ভিক্টোরিয়া ইনফ্যান্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা এবং তাঁদের ছেলে কেএম আবির হাসান গাজী মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অস্ত্র পরীক্ষার সময় গুলি বের হয়ে খান কুব্বত আলীর খালাতো ভাই মো. মাসুদ শেখের গলায় বিদ্ধ হওয়ার পর বিষয়টি সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে, মাসুদ শেখ ও টুকু নামের এক ব্যক্তি অস্ত্র ভাড়া নেওয়ার উদ্দেশে ওই বাসায় গেলে অস্ত্র পরীক্ষা করার সময় অসাবধানতাবশত গুলি বের হয়ে মাসুদের গলায় লাগে।
আহত মাসুদকে প্রথমে খুলনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।পরে তাঁকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার পর খান কুব্বত আলী ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার বিষয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।