আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার কিছু এলাকায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল কমেছে। তবে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। আগামী তিন দিন এসব নদ-নদীর পানি সমতল আরো বাড়তে পারে।
এদিকে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী তিন দিন দেশের অভ্যন্তরে এবং উজানের কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। কোথাও কোথাও অতি ভারি বৃষ্টিও হতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।
ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল ছিল। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত এই পরিস্থিতি থাকতে পারে। এরপর চার দিন পানি কমতে পারে।
গঙ্গা নদীর পানি সমতল কমেছে। তবে পদ্মার পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে।
আগামী দুই দিন পদ্মার পানি কমতে পারে। এরপর তিন দিন পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী একদিন সুরমা নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর দুই দিন তা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী একদিন কমে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে।